Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২২ জুলাই ২০২৬
হ্যাকাথন

একুশ শতক জ্ঞানের যুগ, নয়া শিক্ষানীতি নিয়ে পড়ুয়াদের বোঝালেন মোদি

উদ্ভাবনী ক্ষমতার পরিচয় দিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন প্রতিযোগীরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২০, ১৮:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২০, ১৮:০২

options
link
একুশ শতক জ্ঞানের যুগ, নয়া শিক্ষানীতি নিয়ে পড়ুয়াদের বোঝালেন মোদি zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্মার্ট ইন্ডিয়া হ্যাকাথন ২০২০’র চূড়ান্ত পর্বে পড়ুয়াদের সঙ্গে আলাপচারিতায় মেতে উঠলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার প্রতিযোগিতার শেষ পর্যায়ে দৈনন্দিন সমস্যা সমাধানে উদ্ভাবনী ক্ষমতার পরিচয় দিয়ে নানা সমাধানের পথ বাতলে দেন পড়ুয়ারা।

[আরও পড়ুন: রাজনীতির দুনিয়ায় ফের নক্ষত্রপতন, প্রয়াত রাজ্যসভার সাংসদ অমর সিং]

স্মার্ট ইন্ডিয়া হ্যাকাথন হচ্ছে এমন একটি প্রতিযোগিতা বা উদ্যোগ যেখানে নানা সমস্যার সমাধান খুঁজতে পড়ুয়াদের একটি মঞ্চ তৈরি করে দেওয়া হয়। এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নিজেদের উদ্ভাবনী ক্ষমতার পরিচয় দিতে পারেন প্রতিযোগীরা। এবারের হ্যাকাথনে অংশগ্রহণ করেছেন প্রায় ৪ লক্ষ ৫০ হাজার ছাত্রছাত্রী। তাঁদের মধ্যে আজকের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছেন ১০ হাজার প্রতিযোগী। এদিন ফাইনালিস্টদের সঙ্গে আলাপচারিতায় মেতে ওঠেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন, অনুষ্ঠানের শুরুতে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল। তিনি ঘোষণা করেণ, জয়ী প্রতিযোগীকে ১ লক্ষ টাকার নগদ পুরস্কার দেওয়া হবে। এছাড়া, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে যাঁরা থাকবেন তাঁদের জন্য থাকবে যথাক্রমে ৭৫ ও ৫০ হাজার টাকার পুরস্কার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিন ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, করোনা আবহে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন কঠিন হয়ে পড়েছিল। তবুও সমস্যার মধ্যেই হ্যাকাথন হওয়া আনন্দের বিষয়। এদিন সরকারের নয়া শিক্ষানীতি নিয়ে মোদি বলেন, “একুশ শতক জ্ঞানের যুগ, সেই দিশায় কদম বাড়িয়ে নয়া শিক্ষানীতি এনেছে সরকার। এবার থেকে ভারি স্কুলব্যাগ ছেড়ে আজীবন কাজে লাগবে এমন জ্ঞান ও শিক্ষার দিকে ছাত্রদের এগিয়ে দেওয়া হবে। শুধু মুখস্থ না করে বিশ্লেষণ করতে শিখবে তারা।”  

আলাপচারিতার মাঝে এক পড়ুয়া তাঁর তৈরি একটি ‘rainfall prediction system’ বা বর্ষার আগাম অনুমান করতে সক্ষম একটি মডেলের কথা বলেন। ওই পড়ুয়া জানান, স্যাটেলাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তাঁর মডেলটি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিতে সক্ষম। এই বিষয়ে রীতিমতো আগ্রহ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী পালটা জানান, মডেলটি কৃষকদের উপকার করবে। অন্য আরও এক প্রতিযোগী জানান, তিনি মহিলাদের জন্য পুনর্ব্যবহার যোগ্য ন্যাপকিন বা স্যানিটারি প্যাড বানাচ্ছেন। ফেলে দেওয়ার পর এটি সহজেই পচে গিয়ে কোনও দূষণ ঘটায় না। এর উত্তরে প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার ১ টাকায় স্যানিটারি প্যাড দিচ্ছে। তবে পুনর্ব্যবহার যোগ্য ন্যাপকিন হাতে আসলে মহিলাদের অনেক উপকার হবে।

মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের আওতায় থাকা ‘All India Council for Technical Education’-এর (AICTE) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে এদিন সবথেকে বেশি নজর কেড়ে নেয় এক পড়ুয়ার ‘realtime facial recognition system’ বা মুখ চিনে নেওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন একটি প্রণালী। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন ওই বিশেষ সফটওয়ারটি কেউ মুখ ঢেকে রাখলেও চোখ দেখে কোন ব্যক্তিকে চিনে ফেলতে পারে। এছাড়া নাকের সঙ্গে চোখের দূরত্ব দেখেও এই কাজ করতে সক্ষম সিস্টেমটি। সব মিলিয়ে এদিনের অনুষ্ঠানে উদ্ভাবনী ক্ষমতার পরিচয় দিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন প্রতিযোগীরা।

[আরও পড়ুন: অবশেষে ফোনে আমন্ত্রণ, ভিডিও কনফারেন্সে রাম মন্দিরের ভূমিপুজো দেখবেন আডবানী-জোশী!]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.