Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
নরেন্দ্র মোদি

হাততালি এত কম কেন? বক্তৃতা চলাকালীনই অসন্তোষ প্রকাশ মোদির

দেখুন সেই ভিডিও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২১, ২০১৯, ১০:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২১, ২০১৯, ১০:২৪

options
link
হাততালি এত  কম কেন? বক্তৃতা চলাকালীনই অসন্তোষ প্রকাশ মোদির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিনি প্রধানমন্ত্রী। প্রশ্নাতীতভাবে এখন দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা। জনসভায় বক্তৃতা রাখতে গেলে এখনও সভাজুড়ে মোদি-মোদি রব ওঠে। হাততালিতে ফেটে পড়ে ময়দান। কিন্তু, শুক্রবার তা হল না। তাল কাটল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) বক্তৃতায়। বণিকসভায় বক্তৃতা চলাকালীন হাততালির পরিমাণ কম হওয়ায় খানিকটা হলেও বিরক্ত হলেন প্রধানমন্ত্রী। বক্তব্য মাঝপথে থামিয়েই তিনি বলে দিলেন, “হাতেতালিতে দম কোথায়। আপনারা মনে হয় আমার কথা ঠিক করে শুনছেন না।”


শুক্রবার দেশের অন্যতম বড় বণিকসভা অ্যাসোচেমের বার্ষিক সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখছিলেন মোদি। দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে মোদির সেই বক্তৃতার দিকে নজর ছিল গোটা দেশের শিল্প মহলের। অর্থনীতিকে বেহাল দশা থেকে সঠিক দশায় ফেরাতে প্রধানমন্ত্রী কী বার্তা দেন, সেদিকেই তাকিয়ে ছিলেন ব্যবসায়ীরা। মোদি এলেন, স্বীকার করলেন অর্থনীতিতে ওঠানামা থাকে। তবে, বর্তমান দুরবস্থা দূর করার কোনও ওষুধ তিনি দিলেন না। উলটে জোর গলায় দাবি করলেন, অর্থনীতি সঠিক দিশায় এগোচ্ছে। দ্রুত আমরা ৫ ট্রিলিয়নের অর্থনীতিতে পরিণত হব। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, “পাঁচ-ছয় বছর আগে দেশের অর্থনীতি রীতিমতো বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল। আমরা সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে বর্তমানে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে পেরেছি।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রের পর ঝাড়খণ্ডও হাতছাড়া হচ্ছে বিজেপির! ইঙ্গিত ভোট পরবর্তী সমীক্ষায়]


কিন্তু, মোদির এসব কথাতে হয়তো মন গলেনি উপস্থিত ব্যবসায়ীদের। সেভাবে হাততালিও পড়ছিল না প্রধানমন্ত্রীর কথাতে। তাই, বক্তৃতা থামিয়ে কিছুটা হলেও বিরক্তির সুরে মোদিকে অসন্তোষ প্রকাশ করতে হল। তিনি বললেন, “কী ব্যাপার, হাততালির শব্দ এত কম কেন? আমি তো আর একটু হাততালি আশা করছিলাম। আপনারা মনে হয়, অতীতের পরিসংখ্যান এখনও মনে করে রেখে দিয়েছেন। আর নাহয় ঠিক মন দিয়ে শুনছেন না আমার কথা। শুনলে আরও বেশি হাততালি পড়ত।” প্রধানমন্ত্রীর এই অসন্তোষ প্রকাশের পর অবশ্য আর হাততালির অভাব পড়েনি। সঙ্গে সঙ্গে বিজ্ঞান ভবন গর্জে ওঠে করতালির আওয়াজে। তবুও, নরেন্দ্র মোদির মতো দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতাকে অর্থনীতি সংক্রান্ত বক্তৃতায় হাততালি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করতে হচ্ছে। সেটাই কি কম উদ্বেগের বিষয়?

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.