২৮ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

‘আমরা এখনও অন্ধকারে রয়েছি’, লাদাখ নিয়ে সর্বদল বৈঠকে কেন্দ্রকে তোপ সোনিয়ার

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: June 19, 2020 7:34 pm|    Updated: June 19, 2020 7:37 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় চিনের সঙ্গে সংঘর্ষের জেরে সামরিক তৎপরতা ক্রমশ বাড়ছে ভারতের উত্তর সীমান্তে। দেশের মধ্যে চিন বিরোধী জনরোষ তীব্র হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে শুক্রবার বিকেল পাঁচটার পর ২০টি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক দলের সভাপতিদের নিয়ে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।  দিল্লির ৭ নম্বর লোক কল্যাণ মার্গ (Lok Kalyan Marg) থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সবার সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এই  বৈঠকে লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ঠিক কী হয়েছিল সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সরকারের কাছে জানতে চান বিরোধী দলগুলির সভাপতিরা।

তার আগে বৈঠকের শুরুতেই গালওয়ান উপত্যকায় যে ভারতীয় জওয়ানরা শহিদ হয়েছেন তাঁদের স্মৃতিতে নীরবতা পালন করেন সকলে। তারপর লাদাখের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে আলোচনা শুরু হয় সর্বদলীয় ওই বৈঠকে।

কেন্দ্রের সমালোচনা করে কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধী বলেন, ‘আরও আগে এই সর্বদলীয় বৈঠক হওয়া উচিত ছিল। এমনকী এত দেরি হয়ে যাওয়ার পরেও আমরা অন্ধকারে রয়েছি। এ সম্পর্কে সরকারের কাছে আরও কিছু জানতে চায় কংগ্রেস। কত তারিখে চিনের সেনা আমাদের ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছিল? কখন সরকার এটা বুঝতে পারল? সরকারের কাছে কী স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবি আছে? গোয়েন্দারা কী সরকারকে এই সম্পর্কে আগে সতর্ক করেননি? এখনও ওখানকার পরিস্থিতি কী তা নিয়ে আমরা কিছু জানতে পারছি না। পুরোপুরি অন্ধকারে রয়েছি।’

সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাঙ্গ বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রীর উপর পুরো আস্থা রয়েছে। অতীতেও যখন দেশের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে তখনও প্রধানমন্ত্রী নজির সৃষ্টিকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’

এনসিপি (NCP) প্রধান ও প্রাক্তন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শরদ পাওয়ার বলেন, ‘আন্তর্জাতিক চুক্তি মেনে জওয়ানরা ওখানে অস্ত্র নিয়ে গিয়েছিলেন কি না সেটা দেখতে হবে। এই ধরনের স্পর্শকাতর বিষয়ের প্রতি আমাদের সম্মান জানাতে হবে।’

[আরও পড়ুন: হাসপাতাল থেকে করোনা আক্রান্তের ফোন চুরির ফল, কোয়ারেন্টাইনে যুবক]

এই ভিডিও কনফারেন্সে কংগ্রেস, তৃণমূল ও বিজেডি-সহ ২০টি রাজনৈতিক দলের নেতাদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা, কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধী, তৃণমূল সুপ্রিমো ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শিব সেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে-সহ অনেকে। পাঁচটি করে সাংসদ না থাকায় এই বৈঠকে ডাক পাননি আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল, আরজেডির লালুপ্রসাদ যাদব ও এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি।

[আরও পড়ুন: শারীরিক অবস্থার অবনতি, অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হল করোনা আক্রান্ত দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement