১৭ চৈত্র  ১৪২৬  মঙ্গলবার ৩১ মার্চ ২০২০ 

Advertisement

অন্য মেজাজে প্রধানমন্ত্রী, দিল্লির মেলায় ঘুরে ‘লিট্টি চোখা’ খেয়ে দিন কাটালেন মোদি

Published by: Sucheta Chakrabarty |    Posted: February 19, 2020 9:44 pm|    Updated: February 19, 2020 9:44 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পদমর্যাদায় তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু যে কোনও অনুষ্ঠানে গিয়ে জনসাধারণের সঙ্গে মিশে যেতে আপত্তি নেই তাঁর। তখন তিনি মাটির মানুষ। বুধবার আচমকাই দিল্লির ইন্ডিয়া গেটের কাছে রাজপথের একটি হস্তশিল্প মেলা পরিদর্শনে যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে গিয়ে মেলার একটি দোকান থেকে কবজি ডুবিয়ে খেলেন “লিট্টি- চোখা” ও “কুলহাড়ি চা”। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেই পোস্টও করেন নরেন্দ্র মোদি।

দিল্লির মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক সেরে দ্রুত “হুনার হাট” নামের হস্তশিল্প মেলায় যান প্রধানমন্ত্রী। সংখ্যালঘু সম্প্রদায় মন্ত্রকের আয়োজিত এই মেলায় প্রায় ৫০ মিনিট সময় কাটান মোদি। কথা বলেন সেখানকার হস্তশিল্পীদের সঙ্গে। প্রধামন্ত্রীর সঙ্গে এদিন ছিলেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মন্ত্রী মুক্তার আব্বাস নকভিও। সূত্র মারফৎ জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী হস্তশিল্প মেলায় যাবেন শুনে একপ্রকার বিস্মিত হন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। হস্তশিল্প মেলার পাশে থাকা দোকান থেকে ১২০ টাকা দিয়ে “লিট্টি- চোখা” ও ৪০ টাকা দিয়ে “কুলহাড়ি চা”ও খান নরেন্দ্র মোদি। টুইটে সেই ছবি দিয়ে তিনি লেখেন, ” এক অসাধারণ সুস্বাদু লিট্টি- চোখা খেলাম দুপুরে। সঙ্গে ছিল এক কাপ গরম চা।”

[আরও পড়ুন:‘দিল্লির উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করতে রাজি’, অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকের পর দাবি কেজরির]

“হুনার হাট”-এ মোদি স্থানীয় শিল্পীদের নির্মিত বাদ্যযন্ত্রও বাজিয়ে দেখার চেষ্টা করেন। এই হস্তশিল্প মেলায় স্থানীয় শিল্পী তাদের নির্মিত বিভিন্ন কারুশিল্প তুলে ধরে নিজেদের সংস্কৃতি তুলে ধরার চেষ্টা করেন। “হুনার হাট”-এর এবারের থিম হল “কৌশল কা কাম” অর্থাৎ পুরনো জিনিসকে নতুন উপায়ে তুলে ধরা। ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই হস্তশিল্প মেলা। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ৫০ শতাংশ মহিলারা এই মেলায় অংশগ্রহণ করেছেন। “বাওয়ারচিখানা” নামে হস্তশিল্প মেলার ভিতরেই একটা অংশ রাখা হয়েছে। যেখানে সারা দেশের বিভিন্ন সংস্কৃতির খাবার পাওয়া যাবে।

 [আরও পড়ুন:আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের ডাক ২ মধ্যস্থতাকারীর, আন্দোলনে অনড় শাহিনবাগ]

তবে প্রধানমন্ত্রীর এই “লিট্টি- চোখা” খাওয়াকে অনেকে আবার তীর্যক চোখেও দেখছেন। কারণ, চলতি বছরের শেষের দিকেই রয়েছে বিহারের বিধানসভা নির্বাচন। আর “লিট্টি- চোখা” যে বিহারের অন্যতম প্রধান খাবার তা অবশ্যই মনে করানোর প্রয়োজন নেই দেশবাসীকে। তাই এই “লিট্টি- চোখা” খেয়ে কি এক নতুন বার্তা তুলে ধরতে চাইলেন প্রধানমন্ত্রী? সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মনে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement