Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২০ জুন ২০২৬
Mumbai

তরমুজ খেয়ে মৃত্যু নয়, বিষপ্রয়োগে খুন করা হয়েছে মুম্বইয়ের একই পরিবারের চারজনকে! ঘনাচ্ছে রহস্য

মৃতদের মস্কিষ্ক, হৃৎপিণ্ড, ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদন্ত্র সবুজ হয়ে গিয়েছিল। যা বিষপ্রয়োগেরই লক্ষণ বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২, ২০২৬, ১৩:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২, ২০২৬, ১৩:৫৬

options
link
তরমুজ খেয়ে মৃত্যু নয়, বিষপ্রয়োগে খুন করা হয়েছে মুম্বইয়ের একই পরিবারের চারজনকে! ঘনাচ্ছে রহস্য zoom
মৃত একই পরিবারের চার সদস্য।

বিরিয়ানির পর তরমুজ খেয়েছিলেন পরিবারের চার সদস্য। এরপরই তাঁরা ঢলে পড়েন মৃত্যুর কোলে। মনে করা হচ্ছিল, তরমুজ থেকেই অ্যালার্জি হয়ে ওই অঘটন ঘটে গিয়েছে। কিন্তু এবার রহস্য মোড় নিল অন্যদিকে। ওই চারজনের দেহেই মিলেছে মরফিনের উপস্থিতি। প্রশ্ন উঠছে, কোথা থেকে এল এই মরফিন? তাহলে কি বিষপ্রয়োগে খুন করা হয়েছে ওই পরিবারের সদস্যদের? ফরেনসিক তদন্তের জোরালো ইঙ্গিত সেদিকেই।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা যাচ্ছে, মৃতদের মস্কিষ্ক, হৃৎপিণ্ড, ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদন্ত্র সবুজ হয়ে গিয়েছিল। কোনও রাসায়নিক থেকেই শরীরে এই লক্ষণ দেখা যায়। যদিও এখনও যা রিপোর্ট মিলেছে তা প্রাথমিক। পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পেলেই এবিষয়ে আরও পরিষ্কার ধারণা মিলবে বলে জানাচ্ছেন তদন্তকারীরা। মনে করা হচ্ছিল, খাদ্যে বিষক্রিয়ার ফলেই এতগুলি মৃত্যু। কিন্তু ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিষক্রিয়ার চেনা উপসর্গগুলি এক্ষেত্রে একেবারেই দেখা যাচ্ছে না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মৃতদের নাম আবদুল্লাহ দোখাদিয়া (৪০), তাঁর স্ত্রী নাসরিন দোখাদিয়া (৩৫) এবং তাঁদের দুই মেয়ে আয়েশা (১৬) ও জয়নাব (১৩)। ২৫ এপ্রিল রাতে আত্মীয়দের নিজের বাড়িতে আমন্ত্রণ জানান আবদুল্লাহ। তাঁরা সকলে মিলে বিরিয়ানি খান। তারপর আত্মীয়রা নিজেদের বাড়িতে ফিরে গেলে গভীর রাত ১টা নাগাদ স্ত্রী, সন্তানদের নিয়ে তরমুজ খান আবদুল্লাহ। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। ভোর ৫টা নাগাদ তাঁদের শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। এরপর তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁদের জে জে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় চারজনের। পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে। খাদ্যের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ময়নাতদন্তের সময় দেহের নমুনাও সংগ্রহ করা হয়। অবশেষে ফরেনসিক রিপোর্ট সন্ধান দিল রহস্যের। এদিকে, তরমুজের কারণে মৃত্যুর গুঞ্জনের পর থেকেই বহু জায়গায় তরমুজ বিক্রি হচ্ছিল না বলে খবর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.