Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
দিল্লি হিংসা

দিল্লির হিংসায় ব্যবহার ‘মুঙ্গেরি পিস্তল’! তল্লাশিতে উদ্ধার অভিযুক্ত শাহরুখের বন্দুক

ঘটনার পর থেকেই নিখোঁজ শাহরুখের পরিবার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৭, ২০২০, ১৩:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৭, ২০২০, ১৩:৫০

options
link
দিল্লির হিংসায় ব্যবহার ‘মুঙ্গেরি পিস্তল’! তল্লাশিতে উদ্ধার অভিযুক্ত শাহরুখের বন্দুক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই বরেলি থেকে গ্রেপ্তার হয় দিল্লি হিংসায় জড়িত শাহরুখকে। এবার তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হল দিল্লি হিংসায় ব্যবহার করা পিস্তল। এই বন্দুক তাক করেই শাহরুখ সেদিন এগিয়ে গিয়েছিল দিল্লি পুলিশের নিরস্ত্র কনস্টেবল দীপক দাহিয়ার দিকে। দিল্লি হিংসায় শূন্যে গুলি ছোঁড়ারও অভিযোগ ওঠে ধৃত শাহরুখের বিরুদ্ধে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে সেই ছবি।

দিল্লিতে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের সমর্থক ও প্রতিবাদীদের মধ্যে হিংসাশ্রয়ী সংঘর্ষ চলাকালীন দেখা গিয়েছিল এক যুবক বন্দুকে উঁচিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। বারংবার গুলি ছুঁড়ছে শূন্যে, বন্দুক তাক করে এক নিরস্ত্র কনস্টেবলের দিকে। সূত্রের খবর, শাহরুখকে গ্রেপ্তার করার পর থেকে লাগাতার তাকে জেরা করছে পুলিশ। তার পরিবারের বাকিদেরও খোঁজ চলছে। এর মধ্যেই তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় এই বন্দুক। দিল্লিতে অশান্তির পর এই বন্দুকটি লুকিয়ে রেখেছিল শাহরুখ। সেটিকে ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হয়েছে বলে খবর। এই বন্দুক পরীক্ষা করে অনেক তথ্য জানা যেতে পারে বলে ধারণা পুলিশের। কী ভাবে এই বন্দুক শাহরুখের কাছে এল, সে ব্যাপারেও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি দিল্লি পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার অজিত শিংলার নেতৃত্বে একটি দল শামলির বাসস্টপ থেকে পাকড়াও করে শাহরুখকে।

Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, শাহরুখের ছবি ভাইরাল হওয়ার পরেই দিল্লি থেকে পালায় সে। সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, দিল্লি থেকে পালিয়ে জলন্ধরের দিকে রওনা দিয়েছিল শাহরুখ। সেখানে একজন বন্ধুর সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল তার। কিন্তু পরে সেই সিদ্ধান্ত সে বদলায়। জলন্ধরের বদলে বরেলিতে গিয়ে পৌঁছয়। জানা গিয়েছে, কনট প্লেসের কাছে পার্কিং লটের একটি গাড়ির মধ্যে শাহরুখ দীর্ঘ সময় লুকিয়েছিল। তদন্তকারীরা বলেছেন, বরেলি যাওয়ার আগে পানিপথ, আমরোহা ও কাইরানাতেও কিছু সময় কাটিয়েছিল সে। যখন বরেলিতে সে সুরক্ষিত নয় এটা বুঝতে পারে তখনই সেখান থেকে পালিয়ে যায় শামলিতে। এরপরই হাতেনাতে ধরা পড়ে অভিযুক্ত। এরপর থেকে নিঁখোজ হয়ে যায় শাহরুখের গোটা পরিবারই। তাদেরও খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।

[আরওপড়ুন: ডুবন্ত নৌকায় পা! ইয়েস ব্যংকের ৪৯ শতাংশ শেয়ার কিনছে SBI]

পুলিশ জানিয়েছে, শাহরুখের নিজের একটি কারখানা রয়েছে। সেখানকারই কোনও এক কর্মীর থেকে পিস্তলটি কিনেছিল সে। জেরায় শাহরুখ বলেছে, তার বোন জাফরাবাদে সিএএ-বিরোধী বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিল। জাফরাবাদ-মউজপুরে যখন হিংসার আগুন জ্বলছিল তখন উন্মত্ত বিক্ষোভকারীদের মাঝে পড়ে গিয়েছিল তার বোন। তাকে বাঁচাতেই নাকি পিস্তল নিয়ে ছুটে গিয়েছিল সে। তদন্তকারীরা বলেছেন, সেদিন শাহরুখের হাতে সেমি অটোমেটিক ৭.৬৫ বোরের পিস্তল ছিল। মনে করা হচ্ছে, বিহারের মুঙ্গের থেকে এই পিস্তলটি তার হাতে এসেছিল। বিক্ষোভের দিন এলোপাথাড়ি গুলি ছুঁড়ছিল শাহরুখ। শাহরুখের গুলিতে সেদিন কেউ জখম হয়েছিলেন কিনা সেটাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

[আরওপড়ুন: চিন্তায় চিকিৎসার মান! করোনা নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.