বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনেই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর অভিভাষণ ঘিরে নজিরবিহীন প্রতিবাদে উত্তপ্ত হয়ে উঠল সংসদ। বুধবার লোকসভায় রাষ্ট্রপতির অভিভাসনের অনেকটাজুড়ে ছিল বাংলা ও অসমের ভোট অঙ্ক। ভাষণে রবীন্দ্রনাথ, বঙ্কিমচন্দ্রদের নাম নিতে শোনা যায় মুর্মুকে। এর মধ্যেই একপ্রকার বেনজিরভাবে বিক্ষোভও দেখায় বিরোধীরা।
ভাষণের শুরু মুহূর্তেই তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেস-সহ একাধিক বিরোধী দলের সাংসদরা একযোগে ‘এসআইআর বাতিল করো’ স্লোগান তোলেন। হট্টগোল ও প্ল্যাকার্ডের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে, কেন্দ্রের বক্তব্যের রাজনৈতিক নিশানায় রয়েছে ভোটের অঙ্কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য বাংলা। রাষ্ট্রপতির ভাষণে এদিন একাধিকবার উঠে আসে বাংলার প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, বাংলা ও পূর্ব ভারত আজ দেশের অন্যতম লজিস্টিক্স হাবে পরিণত হয়েছে। বাংলা-অসমের মধ্যে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালু হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি ‘পূর্বোদয়’ নীতির ফলে ওড়িশা ও বাংলা গুরুত্বপূর্ণ উপকূলবর্তী রাজ্য হয়ে উঠেছে-এই দাবিও করেন রাষ্ট্রপতি।
আরও পড়ুন:
ভাষণের শুরুতেই বন্দে মাতরম ও সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ করে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, “গত বছরটি দেশের জন্য স্মরণীয় বছর ছিল, ভারতের দ্রুত অগ্রগতি এবং ঐতিহ্য উদযাপনের বছর ছিল। বন্দে মাতরমের ১৫০তম বার্ষিকী সারা দেশে পালিত হচ্ছে। নাগরিকরা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে তাঁর মহান অনুপ্রেরণার জন্য শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। সংসদে এই বিষয়ে বিশেষ আলোচনা করার জন্য আমি সকল সাংসদকে অভিনন্দন জানাই।'”
কেন্দ্রীয় সরকারের সাফল্য ও নীতির প্রশংসা শুরু হতেই বিরোধীদের ক্ষোভ চরমে ওঠে। মনরেগা আইন বদলে ‘বিকশিত ভারত জি রাম জি আইন’-এর উল্লেখ হতেই সংসদে ‘মনরেগা ফেরত নাও’ স্লোগান ওঠে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
নতুন তৃণমূল আত্মপ্রকাশের পরদিনই সন্দীপনের বাড়িতে বিক্ষোভ, কাটমানি-তোলাবাজিতে সরব বিজেপি
-
আরজিকর কাণ্ড এবার বড়পর্দায়, পরিচালনায় শঙ্কুদেব পণ্ডা, ‘অভিশপ্ত’ আগস্টেই শুরু শুটিং
-
বিশ্বজয়ের ৩ মাসের মধ্যে অধিনায়কত্ব যাচ্ছে সূর্যকুমারের, নেতৃত্বের দৌড়ে আপাতত ৩
-
দিল্লির পর বিহার, বিধ্বংসী আগুন হাসপাতালে, ঝলসে মৃত অন্তত ৪
-
কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার হুমায়ুনের, অধীর, নওশাদের উদাহরণ তুলে আদালতে যাচ্ছেন এজেইউপি নেতা