Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Pulwama

‌ফের পুলওয়ামার মতো হামলার ছক!‌ জম্মু-কাশ্মীর হাইওয়ে থেকে উদ্ধার ৫২ কেজি বিস্ফোরক

সেনার তৎপরতায় ভেস্তে গেল জঙ্গিদের হামলার পরিকল্পনা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০, ২১:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০, ২১:১৮

options
link
‌ফের পুলওয়ামার মতো হামলার ছক!‌ জম্মু-কাশ্মীর হাইওয়ে থেকে উদ্ধার ৫২ কেজি বিস্ফোরক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ জম্মু–কাশ্মীরে (Jammu-Kashmir) বড়সড় জঙ্গি হামলার ছক ভেস্তে দিল ভারতীয় সেনা (Indian Army)। ফের একবার পুলওয়ামার মতো হামলার পরিকল্পনা করেছিল জঙ্গিরা। কিন্তু সেনার তৎপরতায় তা সফল হল না। বৃহস্পতিবার জম্মু ও কাশ্মীর হাইওয়ের কাছ থেকে ৫২ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করেছেন জওয়ানরা। নিরাপত্তা বাহিনীর উপরে হামলা চালানোর জন্যই ওই বিপুল বিস্ফোরক ওইভাবে হাইওয়ের কাছে মজুত করা হয়েছিল বলে প্রাথমিক অনুমান।

[আরও পড়ুন: দিল্লি হিংসার তদন্তে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন, সরাসরি রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ বিরোধীরা]

গত বছর পুলওয়ামার ওই এলাকাতেই CRPF-এর বিশাল কনভয়ে হামলা হয়েছিল। সেদিনের ঘটনায় শহিদ হয়েছিলেন ৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ান। এবার সেদিনের ঘটনাস্থল থেকে মাত্র ৯ কিলোমিটার দূরেই মিলল বিস্ফোরক। সেনাবাহিনীর ‌তরফে প্রকাশিত বিবৃতি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল আটটায় ‘‌কড়েয়া ও গড়িকাল অঞ্চলে’‌ একটি যৌথ তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় একটি বাগান থেকে পুঁতে রাখা একটি সিন্টেক্সের ট্যাঙ্ক উদ্ধার করা হয়। ওই জলের ট্যাঙ্কে প্রায় ৫২ কেজি বিস্ফোরক পাওয়া যায়। সবমিলিয়ে মোট ৪১৬টি বিস্ফোরকের প্যাকেট ছিল। প্রত্যেকটিতে ছিল ১২৫ গ্রাম বিস্ফোরক। সেনাবাহিনী আরও জানায়, এরপর গোটা এলাকা জুড়ে আরও তল্লাশি চালানো হয়। এর ফলে ৫০টি বিস্ফোরক–সহ আরও একটি ট্যাঙ্কের সন্ধান মেলে। সেনার মতে, এই ধরনের বিস্ফোরককে ‘‌সুপার 90’‌ বলা হয়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: শুরুতে দু’হাজার টাকার নোট ছাপায় সায় ছিল না প্রধানমন্ত্রীর, দাবি প্রাক্তন প্রধান সচিবের]

গত বছর ১৪ ই ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় (Pulwama) হাইওয়ের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় একটি বিস্ফোরক ভরতি গাড়ি আচমকাই সিআরপিএফের কনভয়ে ঢুকে পড়ে। এরপর প্রচণ্ড বিস্ফোরণ হয়। ওই হামলায় ৪০ জন জওয়ান শহিদ হন। আক্রমণে জিলেটিন ছাড়াও প্রায় ৩৫ কেজি আরডিএক্স প্লাস্টিক বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল। জানা গিয়েছে, বিস্ফোরক মেলার পর নিরাপত্তা বাহিনী গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছে। কে বা কারা ওই বিস্ফোরক মজুত করেছিল, সেই বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশ–প্রশাসন এবং সেনাবাহিনীর পদস্থ কর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়েছেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.