Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Pune

প্রি-ওয়েডিং শুটে কীভাবে খুন হবু বরকে? জানালেন সিয়া ও প্রেমিক! আরও সাতদিন পুলিশ হেফাজত

বিয়ের ঠিক একমাস আগে বাগদত্তা তরুণীর জন্মদিন উদযাপন করতেই কেল্লায় গিয়েছিলেন পুণের কেতন বিশাল আগরওয়াল। ৩৫০ ফুট উঁচু থেকে পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২৬, ২০:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২৬, ২০:৩৮

options
link
প্রি-ওয়েডিং শুটে কীভাবে খুন হবু বরকে? জানালেন সিয়া ও প্রেমিক! আরও সাতদিন পুলিশ হেফাজত zoom
ছবি: সংগৃহীত।
Advertisement

প্রি-ওয়েডিং ফটোশুটে নিয়ে গিয়ে হবু বরকে খুনে অভিযুক্ত তরুণী। পুণের এই ঘটনায় দেশজুড়ে হইচই পড়ে গিয়েছে। ব্যবসায়ীপুত্র কেতন বিশাল অগরওয়ালকে হত্যায় অভিযুক্ত সিয়া গোয়েল এবং তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধুরীকে সাতদিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠাল পুণের জেলা আদালত। তদন্তের সুবিধার্থে লোনাভালা গ্রামীণ পুলিশ অভিযুক্তদের হেফাজতে চেয়ে আবেদন করেছিল। সেই আবেদন মঞ্জুর করে ২৯ জুন অবধি পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিলেন বিচারক।

পুণে গ্রামীণ পুলিশের এসপি সন্দীপ সিং গিল জানান, দুই অভিযুক্তই হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন। কীভাবে খুন করেছেন, তাও জানিয়েছেন বিস্তারিত। তিনি বলেন, “প্রাথমিকভাবে দুর্ঘটনার কথা বলেছিল সিয়া ও চেতন। যদিও কেতনের পরিবারের সদস্য এবং বন্ধুরা বিষয়টি নিয়ে সন্দেহপ্রকাশ করেন। যেহেতু কেতন একজন অভিজ্ঞ ট্রেকার। সন্দেহের কথা জানিয়ে পরিবার ও বন্ধুরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।”

Advertisement

বিয়ের ঠিক একমাস আগে বাগদত্তা তরুণীর জন্মদিন উদযাপন করতেই কেল্লায় গিয়েছিলেন পুণের কেতন বিশাল আগরওয়াল। ৩৫০ ফুট উঁচু থেকে পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হয়েছিল, পা ফস্কে পড়ে গিয়ে কেতনের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু ধীরে ধীরে সন্দেহ বাড়তে থাকে কেতনের বাগদত্তা সিয়া গোয়েলের উপর। গত ১৮ জুন সিয়া এবং তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধুরী মিলে কেতনকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেন। পুলিশের সামনে গিয়ে সিয়া বলেন, কেতন পা পিছলে পড়ে গিয়েছেন। তবে তদন্তে উঠে আসে খুনের বিষয়টি। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, বছর খানেক ধরে সিয়ার সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন চেতন।

পুলিশের দাবি, প্রেমিক যুগল এর আগেও তাঁদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছিলেন। গত ১৪ই জুনও তাঁরা কেতনকে লোহাগড়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। হঠাৎই সাপের আক্রমণের ভয় দেখিয়ে তাঁকে উপত্যকায় ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। যদিও সেবার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি। অন্যদিকে কেতন ষড়যন্ত্রের আঁচ পাননি। এরপর ১৯ জুন লোহাগড়ে আরও একটি ট্রেকিং অভিযানের পরিকল্পনা করেন সিয়া। সেই মতোই সকলে মিলে উঁচু পাহাড়ের উপরের কেল্লায় যান। মওকা বুঝে একটি নির্জন জায়াগায় কেতন আগরওয়ালকে পিছন থেকে ধাক্কা মারেন সিয়া ও চেতন। এর ফলেই ৩৫০ ফুট নিচে পড়ে মৃত্যু হয় চেতনের। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি কোনওভাবেই দুর্ঘটনা ছিল না, বরং এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

পুলিশ জানিয়েছে, আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের সময় সিয়া তথ্য গোপন করছেন, বিষয়টি স্পষ্ট হতেই তদন্ত অন্য দিকে মোড় নেয়। তদন্তকারীরা এরপর তাঁর মোবাইল ফোনের রেকর্ড, সোশাল মিডিয়া পোস্ট এবং অন্যান্য ডিজিটাল প্রমাণ খতিয়ে দেখেন। এই মুহূর্তে হত্যাকাণ্ডের আরও কিছু প্রমাণ সংগ্রহ করে বিষয়টিতে নিশ্চিত হতে চাইছে পুলিশ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.