Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Rahul Gandhi accuses Modi

‘করোনা রুখতে গাফিলতি করেছে কেন্দ্র’, লকডাউনের পর বিস্ফোরক অভিযোগ রাহুলের

প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিলে ছড়িয়ে পড়ত না করোনা, দাবি রাহুল গান্ধীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৩, ২০২০, ২০:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৩, ২০২০, ২০:১২

options
link
‘করোনা রুখতে গাফিলতি করেছে কেন্দ্র’, লকডাউনের পর বিস্ফোরক অভিযোগ রাহুলের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশে করোনার প্রভাব বৃদ্ধিতে ফের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। করোনার মত মারণ ভাইরাস দমনে ভারতের কাছে যথোপযুক্ত হাতিয়ার না থাকায় ক্ষোভপ্রকাশ করলেন সোনিয়া পুত্র। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু-এর মতে মানুষের প্রাণ বাঁচাতে প্রয়োজনীয় ভেন্টিলেটর ও সার্জিক্যাল মাস্ক নেই ভারতের হাসপাতালগুলির কাছে, বলে দাবি রাহুল গান্ধীর।

করোনা আতঙ্কে যখন একের পর এক রাজ্যে লকডাউন ঘোষণা হচ্ছে তখন কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কিছু বিস্ফোরক অভিযোগ আনেন রাহুল গান্ধী। তিনি দাবি করেন, করোনা মোকাবিলায় উপদেশ হিসেবে ‘হু’- মাস্ককে গুরুত্বপূর্ণ বলে ঘোষণা করার পরও কেন্দ্র পর্যাপ্ত মাস্ক বিলি করেনি। তারা মাস্ক রপ্তানিতে বিশেষ ঢিলেমি করে। যা একপ্রকার ‘অপরাধমূল ষড়যন্ত্র’ হিসেবেই গন্য করা উচিৎ বলে দাবি জানান প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন,”মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভারতের অভ্যন্তরে প্রতিটি রাজ্যে মানুষের কাছে মাস্ক রপ্তানি হতে এত দেরি হল কেন? বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘হু’ মাস্ককে প্রয়োজনীয় বলে ঘোষণা করার পরও তা বিতরণ করতে ১৯ মার্চ পর্যন্ত কেন সময় নেওয়া হল? এটা কেন করা হল? মানুষের প্রাণ নিয়ে কি এটা খেলা করা নয়? এই কাজটা কি অপরাধমূল ষড়যন্ত্র?” ফেব্রুয়ারি মাসের ২৭ তারিখেই ‘হু’ একটি সতর্কতামূলক নির্দেশিকা জারি করে। সেখানে মেডিক্যাল মাস্কের কথা ও প্রয়োজনীয় ওষুদের উল্লেখ করা হয়। তারাই জানান, কয়েকদিনের মধ্যে মহার্ঘ হয়ে উঠবে এই মাস্ক ও প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র। অন্যদিকে রিপোর্ট প্রকাশ্যে এনে রাহুল গান্ধী দাবি করেন, ভারতে জনতা কারফিউ ঘোষণার পরেই ১৯ মার্চ সরকার সকল প্রয়োজনীয় দ্রব্য রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

Advertisement

[আরও পড়ুন:‘আমি সমাজের শত্রু’, লকডাউন ভাঙলেই লিফলেট ধরাচ্ছে যোগী প্রশাসন]

ঠিক এরপর ভারতে যখন একে একে করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হয় তখনই দেশজুড়ে লকডাউনের পরিস্থিতি তৈরি হয়। প্রায় ৩১ মার্চ পর্যন্ত মানুষকে গৃহবন্দি হয়ে থেকে এই পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

[আরও পড়ুন:ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টের, ভিডিও কনফারেন্সে সওয়াল-জবাব আইনজীবীদের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.