২ কার্তিক  ১৪২৬  রবিবার ২০ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: “ভালবাসা কখনও ঝুঁকে যায় না। ভালবাসা কখনও হারে না।” লোকসভা ভোটে যখন গোটা দেশে দলের ভরাডুবি তখনও চেনা ভাষাতেই দলীয় কর্মীদের ক্ষতে প্রলেপ লাগানোর চেষ্টা করলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। এদিন, লোকসভা নির্বাচনে দলের হারের দায় স্বীকার করে নিয়ে কংগ্রেস সভাপতি বলেন, “জনতাই মালিক। জনতা তাদের রায় দিয়েছে। আমরা সেই দায় মাথা পেতে নিলাম।” একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিজেপিকে শুভেচ্ছা জানান কংগ্রেস সভাপতি। সাংবাদিক বৈঠকে কিছু না বললেও, দলীয় সূত্রের খবর ইস্তফার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন কংগ্রেস সভাপতি। ইতিমধ্যেই, রাহুলের ঘনিষ্ঠদের সেকথা জানিয়ছেন। আজ মা সোনিয়া এবং বোন প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে আলোচনাও করেছেন রাহুল। এর জেরেই রাহুলের ইস্তফা নিয়ে জোর জল্পনা কংগ্রেস শিবিরের অন্দরে।

[আরও পড়ুন: লোকসভায় বিপুল জয়ের আভাসের পর প্রথম প্রতিক্রিয়া প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির]

সারা দেশেই বিজেপির জয়জয়কার। অন্যদিকে, কংগ্রেসের ভরাডুবি। কমবেশি ২০১৪ সালের মতোই অবস্থা হাত-শিবিরের। ওয়ানড় থেকে রেকর্ড ভোটে জিতলেও আমেঠি থেকে স্মৃতি ইরানির কাছে নিজেই হারের মুখে রাহুল। কিন্তু, এহেন হারের পরও যেন নির্লিপ্ত মনে হল কংগ্রেস সভাপতিকে। দলে যে অন্তর্তদন্তের প্রয়োজন সেকথাও উল্লেখ করেননি কংগ্রেস সভাপতি। শুধু বললেন, পরবর্তী সিদ্ধান্ত হবে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে।রাহুলের এই মন্তব্যেই তাঁর ইস্তফার জল্পনা আরও উসকে যায়।

[আরও পড়ুন: বারাণসীতে বিপুল ভোটে জয়ী নরেন্দ্র মোদি, সমর্থকদের শুভেচ্ছা জানালেন মা হীরাবেন]

তবে, এদিন হারের জন্য ইভিএম বা নির্বাচন কমিশনের উপর দায় না ঠেলে আরও একবার ভালবাসার ভাষা বুঝিয়ে গেলেন রাহুল। তিনি বললেন, ” জনতায় মালিক, জনতা সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। মালিক নির্দেশ দিয়েছেন, সেই নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করব। যে সমস্ত কংগ্রেস কর্মীরা সততার সঙ্গে লড়াই করেছেন তাদের শুভেচ্ছা। আমাদের লড়াই বিচারধারার লড়াই। দুটি আলাদা আলাদা দৃষ্টিভঙ্গির লড়াই। এই লড়াই চলবে। ভালবাসা কখনও হারে না। আত্মবিশ্বাস হারাবেন না। আমার বিশ্বাস দেশের বহু মানুষ এখনও কংগ্রেসের বিচারধারায় বিশ্বাস রাখে।” হারের কারণ জানতে সম্পর্কে জানতে চাইলে রাহুল বলেন, “আজ আমি কী বলছি, বা ভাবছি সেটা গুরুত্ব রাখে না। আজই ফলাফল এসেছে। আমাদের লড়াই করতে হবে।” সাংবাদিক বৈঠকে কংগ্রেস সভাপতি তাঁর রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী স্মৃতি ইরানিকেও আমেঠি থেকে জয়ের জন্য শুভেচ্ছা জানান। তবে, কংগ্রেসের পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপ কী হবে সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনও দিশানির্দেশ দেননি রাহুল।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং