Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Rail Minister

মমতা জমানার থেকে বাংলায় তিনগুণ বরাদ্দ, রেলমন্ত্রীর দাবি উড়িয়ে তৃণমূল বলল, ‘কথায় কেল্লাফতে’

বাংলার রেলে কত টাকা বরাদ্দ হিসেব দিলেন রেলমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৫, ১৭:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৫, ১৭:৩৪

options
link
মমতা জমানার থেকে বাংলায় তিনগুণ বরাদ্দ, রেলমন্ত্রীর দাবি উড়িয়ে তৃণমূল বলল, ‘কথায় কেল্লাফতে’ zoom

সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: বাজেটে বৈষম্যের অভিযোগের মাঝেই পশ্চিমবঙ্গে রেলের উন্নয়নে এবার বিপুল বরাদ্দ করা হয়েছে বলে দাবি করলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। রীতিমতো পরিসংখ্যান তুলে ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জমানার সঙ্গে তুলনা করে মন্ত্রীর দাবি, মমতার জমানার চেয়ে এবার তিনগুণ বেশি বরাদ্দ হয়েছে বাংলার রেলে। যদিও পালটা তৃণমূলের দাবি, বাংলা বিরোধী বিজেপি সরকার খাতায় কলমে ফান্ড দেখালেও বাস্তবে সেই টাকা এসে পৌঁছয়নি। কোনও উন্নয়ন না করেই কেল্লাফতে করার চেষ্টা চলছে।

গত শনিবার সংসদে বাজেট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। সেই বাজেটে বিহারের জন্য মোদি সরকার দুহাত উজাড় করে দিলেও বাংলার জন্য সেভাবে কোনও বরাদ্দ করা হয়নি বলে অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। এহেন ডামাডোলের মাঝেই সোমবার বাংলার জন্য রেলবাজেটের বিস্তারিত রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনেন রেলমন্ত্রী। যেখানে তাঁর দাবি, ২০০৯ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন রেলমন্ত্রী ছিল সেই সময় থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বাংলার জন্য রেলে বরাদ্দ করা হয়েছিল ৪,৩৮০ কোটি টাকা। সেটাই ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে বরাদ্দ করা হয়েছে ১৩,৯৫৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ প্রায় ৩ গুণ। একইসঙ্গে রেলমন্ত্রী বলেন, ‘দয়া করে রাজনীতি করবেন না। সাধারণ মানুষকে পরিষেবা দিতে আসুন একসঙ্গে কাজ করি। প্রধানমন্ত্রী এত কিছু বরাদ্দ করছেন, আপনি জমি অধিগ্রহণ করে এবং আইন শৃঙ্খলায় নজর দিয়ে আসুন বাংলার রেল পরিকাঠামোর উন্নতি করি।’

Advertisement

তবে রেলমন্ত্রী এহেন দাবির পালটা বঞ্চনার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে তৃণমূল। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূল অন্যতম রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, “রেলমন্ত্রী থাকাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একের পর এক প্রকল্প শুরু করেছিলেন। রেল যাত্রীদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে তিনি ট্রেনে ‘অ্যান্টি কলিসন ডিভাইস’ স্থাপনের ব্যবস্থা করেন। গোটা দেশে রেল সংযোগ আরও জোরদার করে তুলতে বহু নতুন ট্রেনের সূচনা করেন। রেলমন্ত্রী এত বড় বড় কথা বলছেন আদতে কী করেছেন? পরপর রেল দুর্ঘটনায় কবচ সিস্টেমের কাজ কতদূর এগিয়েছে। খাতায় কলমে ফান্ড অ্যালোট করা হলেও আসলে তা এসেই পৌঁছয়নি। মেট্রো হোক কিংবা দূরপাল্লার ট্রেন বা স্টেশনগুলির পরিকাঠামো উন্নয়নে কাজ না করেই কথায় কেল্লাফতে করছে এই বিজেপি সরকার।”

বাংলায় রেলের জন্য বরাদ্দের খতিয়ান।

উল্লেখ্য, গত কয়েক বছরে দফায় দফায় দুর্ঘটনার খবর প্রকাশ্যে এসেছে ভারতীয় রেলে। মৃত্যু হয়েছে শয়ে শয়ে মানুষের। অথচ দুর্ঘটনা রুখতে ২০০৯ সালে রেলমন্ত্রী থাকাকালীন ‘কবচ’-এর মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এনেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলায় ৩৩৩৭ কিলোমিটার রেলপথকে কবচের আওতায় আনা হলেও, এর মধ্যে কাজ শুরু হয়েছে মাত্র ৮৩১ কিলোমিটার পথে। রিপোর্টে মন্ত্রী দাবি করেছেন, ২০১৪ সালের পর থেকে বাংলায় ১২৯৩ কিমি নতুন রেলপথ গড়া হয়েছে। ১,৬৪৭ কিমি রেলপথে বিদ্যুৎ সংযোগ করা হয়েছে। বর্তমানে বাংলায় ৯৮.৬ শতাংশ রেলপথে বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে। ১৯৭২-২০১৪ সাল পর্যন্ত যেখানে মাত্র ২৮ কিলোমিটার মেট্রোপথ ছিল, ২০১৪ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত নতুন ৩১ কিলোমিটার পথ যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া ১০১টি অমৃত স্টেশনের জন্য ৩৮৪৭.৫ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। গত ১১ বছরে ৪৫০টি ফ্লাইওভার, ব্রিজ তৈরি করা হয়েছে। এর পাশাপাশি আরও নানান কাজের খতিয়ান তুলে ধরেছেন রেলমন্ত্রী।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.