BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

২৪ জুলাই পর্যন্ত বিধায়ক পদ বাতিল নয়, হাই কোর্টে সাময়িক স্বস্তি শচীন পাইলটের

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: July 21, 2020 3:54 pm|    Updated: July 21, 2020 3:54 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিধায়ক পদ বাতিল সংক্রান্ত মামলায় রাজস্থান হাই কোর্টে আংশিক স্বস্তি পেলেন রাজ্যের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী শচীন পাইলট (Sachin Pilot)। আগামী ৩ দিন পাইলট এবং তাঁর অনুগামী ১৮ জন বিধায়কের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিতে পারবেন না বিধানসভার স্পিকার সিপি যোশী (CP Joshi)। আগামী ২৪ জুলাই পাইলট শিবিরের বিধায়কদের করা আবেদনের ভিত্তিতে রায় দেবে রাজস্থান হাই কোর্ট। তারপর আদালতের নির্দেশ মতোই এই ইস্যুতে পদক্ষেপ করতে হবে স্পিকারকে।

আদালতের এই সিদ্ধান্তে আপাতত খানিকটা হলেও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবেন শচীন পাইলট। কারণ, এর ফলে অন্তত দিন তিনেকের একটা ‘বাফার টাইম’ পেয়ে যাবেন তিনি। এই তিনদিনে একদিকে যেমন বিধায়কপদ বাতিলের নোটিসের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে ভাবনা চিন্তা করতে পারবেন, তেমনি নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও আগাম পরিকল্পনা সেরে ফেলতে পারবেন। উল্লেখ্য, পাইলটের সঙ্গে অশোক গেহলটের সম্পর্ক একেবারে তলানিতে ঠেকলেও কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁর জন্য দলের রাস্তা এখনও খোলা রেখেছে। এমনকী, তিনি এখনও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন বলে দাবি কংগ্রেস সূত্রের। সোমবারই মুখ্যমন্ত্রী গেহলট (Ashok Gehlot) নিজের সদ্যপ্রাক্তন ডেপুটিকে ‘নিষ্কর্মা’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন। শোনা যাচ্ছে গেহলটের সেই মন্তব্য নাকি ভাল চোখে নেয়নি দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। গেহলটকে নাকি এই ধরনের মন্তব্য করা নিয়ে সতর্কও করে দেওয়া হয়েছে। সার্বিকভাবে একটা জিনিস পরিষ্কার, পাইলটকে দলে ফেরানোর আশা এখনও পুরোপুরি ছাড়েনি কংগ্রেস। আগামী ৩ দিন তরুণ, প্রতিভাবান এই নেতার সঙ্গে আলোচনা করে তাঁকে ঘরে ফেরানোর সুযোগ পাচ্ছে কংগ্রেসও।

[আরও পড়ুন: ‘জাঠদের চেহারা ভাল, বুদ্ধি কম’, ফের বেফাঁস মন্তব্য বিপ্লব দেবের, চাপে পড়ে চাইলেন ক্ষমা]

এদিকে, হাই কোর্টের শুনানির দিনই রাজস্থানের জয়পুরের কাছের যে হোটেলে কংগ্রেস বিধায়কদের রাখা হয়েছে, সেখানে বিধায়কদলের বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী গেহলট। উপস্থিত ছিলেন অজয় মাকেন, রণদীপ সুরজেওয়ালার মতো কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরাও। বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বিধায়কদের জানিয়েছেন, তাঁদের আরও কিছুদিন ওই হোটেলেই থাকতে হতে পারে। হাই কোর্ট রায়দান পিছিয়ে দেওয়ায় আরও একটা ব্যাপার হচ্ছে। কংগ্রেস যে এই সপ্তাহেই বিধানসভার অধিবেশন ডেকে আস্থাভোটের পরিকল্পনা করছিল, সেটাও সম্ভবত এই সপ্তাহে হচ্ছে না।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement