Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Ram Mandir

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, অযোধ্যায় শুরু রাম মন্দির তৈরির কাজ

ওই জমিতে বৌদ্ধদের উপাসনালয় ছিল বলে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন ভীম সেনার প্রধান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০২০, ১৭:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০২০, ১৭:৪৪

options
link
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, অযোধ্যায় শুরু রাম মন্দির তৈরির কাজ zoom
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হল। পূর্ব নির্ধারিত সূচি মেনে মঙ্গলবার সকালে অস্থায়ী মন্দিরে রাখা রামের মূর্তিতে পুজো করেন রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ও রাম জন্মভূমি ন্যাসের প্রধান মহন্ত নিত্যগোপাল দাস। তারপর আজ থেকেই রাম মন্দির তৈরি করার কাজ শুরু হলে বলে ঘোষণা করেন তিনি।

গত বছরের ৯ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ অযোধ্যার বিতর্কিত জমিতে রাম মন্দির (Ram Mandir) তৈরির নির্দেশ দেয়। আর মসজিদ গড়ার জন্য বিকল্প ৫ একর জমি সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে দিতে বলে। রাম মন্দির তৈরির জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে একটি ট্রাস্টও গঠন করতে বলে। এরপর এপ্রিলেই রামনবমী বা অক্ষয়া তৃতীয়ার দিন রাম মন্দিরের কাজ শুরু করার পরিকল্পনা করেছিল রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট। কিন্তু, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোখার জন্য দেশজুড়ে লকডাউন চালু হওয়ার পর সেই পরিকল্পনা স্থগিত হয়ে যায়। অবশেষে মঙ্গলবার সকালে মহন্ত নিত্যগোপাল দাস অস্থায়ী মন্দিরে থাকা ভগবান রামের মূর্তিতে পুজো করার পর মন্দির তৈরির কাজ আজ থেকে শুরু হচ্ছে বলে ঘোষণা করেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘ব্যর্থ লকডাউন, পরবর্তী পরিকল্পনা কী?’ জানতে চেয়ে ফের মোদিকে খোঁচা রাহুলের ]

প্রায় ৩০ বছর আগেই রাম মন্দির তৈরির নকশা করে রেখেছিল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। তখন মন্দিরের উচ্চতা ১২৫ ফুট করার পরিকল্পনা থাকলেও বর্তমানে তা ১৬০ ফুট করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই মন্দিরে প্রথম তলায় রামের মূর্তি ও দ্বিতীয় তলায় রাম দরবার ও রাম, লক্ষ্ণণ এবং সীতার মূর্তি বসানোর পরিকল্পনাও হয়েছে।

দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই মন্দির তৈরির জন্য ইতিমধ্যে প্রচুর টাকা তোলা হয়েছে। এবিষয়ে রাম মন্দিরের প্রধান পুরোহিত আচার্য সত্যেন্দ্র দাস বলেন, ‘মন্দির তৈরির জন্য টাকার কোনও অভাব হবে না বলে আমাদের বিশ্বাস। এই প্রকল্পের জন্য মানুষ উদারহস্তে দান করছেন। আমরা নিশ্চিত, যে মন্দিরটি তৈরি হবে তার বৈচিত্র্য ও মহিমায় সবাই মুগ্ধ হয়ে যাবে।’

[আরও পড়ুন: ত্রিপুরায় ফিরবেন ৫০ হাজার মানুষ, ‘অগ্নিপরীক্ষা’র প্রস্তুতি মুখমন্ত্রী বিপ্লব দেবের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.