BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

অযোধ্যা মামলার রায়ের পর সিদ্ধান্ত, রাম নাম লিখলেই পুরস্কার দেবে ব্যাংক!

Published by: Sayani Sen |    Posted: November 17, 2019 2:31 pm|    Updated: November 17, 2019 10:31 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ব্যাংক মানে গ্রাহকদের ভিড়, টাকার লেনদেন। সেভিংস, ফিক্সড ডিপোজিট, কেওয়াইসি এমনই নানা শব্দের ভিড়। সঙ্গে রয়েছে চেক বই, এটিএম কার্ড কত কিছু। কিন্তু এ ব্যাংক তেমন নয়। কারণ, এখানে টাকাপয়সা নয়। অযোধ্যার এই ব্যাংকে শুধু ব্যবহার হয় রাম নাম। আর ওই রাম নাম লিখেই মিলবে পুরস্কার। সুপ্রিম কোর্টে অযোধ্যা মামলা নিয়ে রায় ঘোষণার পরই একথা জানাল ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

এলাহাবাদের রাম নাম সেবা সংস্থানের উদ্যোগে চলা এই ব্যাংক থেকে গ্রাহকদের একটি করে পাসবুক দেওয়া হয়। ওই পাসবুকে রয়েছে ৩০টি পাতা। প্রতিটি পাতায় ১০৮টি খোপ করে দেওয়া রয়েছে। আর তার মধ্যেই লিখতে হয় রাম নাম। লাল কালির পেন দিয়েই লিখতে হয় রাম নাম। বাংলা, ইংরাজি এবং উর্দু এই তিনটির মধ্যে যেকোনও ভাষাই ব্যবহার করা যেতে পারে। এরপর তা নিয়ে যেতে হবে ব্যাংকে। পাসবুক আপডেট করাতে হবে গ্রাহকদের। রাম নাম সেবা সংস্থানের চেয়ারম্যান আশুতোষ ভার্সনে বলেন, “কুড়ির শতকে আমার দাদুর হাত ধরে এই ব্যাংকের পথচলা শুরু। ৯ নভেম্বর মধ্যরাত থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত যাঁরা প্রায় দেড় লক্ষ বার রাম নাম লিখেছেন তাঁরা পাবেন পুরস্কার।” যাঁরা পুরস্কৃত হবেন তাঁদের রাম নাম ব্যাংক থেকে দেওয়া হবে সার্টিফিকেট। এছাড়াও একটা শাল এবং শ্রীফল দেওয়া হবে। ২০২০ সালে মাঘ মেলায় তাঁদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। প্রথম ১২ জন ভক্ত যাঁরা এক কোটির উপরে রাম নাম লিখবেন, তাঁদের অক্ষয়ভাট মার্গে বিনামূল্যে থাকার বন্দোবস্ত করবে রাম নাম ব্যাংক। রাম সেবা ট্রাস্টের সদস্য গুঞ্জন ভার্সনে বলেন, “জীবনের জটিলতা এড়িয়ে শান্তির পথ খুঁজে চলতি বছরের কুম্ভমেলাতেও রাম নাম লিখেছিলেন অন্তত ১২০০ পুণ্যার্থী। ছাত্র থেকে বয়স্ক নাগরিক সকলেই এই রাম নাম ব্যাংকের গ্রাহক।”

[আরও পড়ুন: ‘এয়ার ইন্ডিয়া ও ভারত পেট্রোলিয়াম বিক্রি হবে মার্চের মধ্যেই’, জানালেন নির্মলা সীতারমণ]

নয়ডার তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্রে কর্মরত আয়ুষী শুক্লা বলেন, “কুম্ভ মেলার সময় সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম প্রতিদিন কমপক্ষে দশটি পাসবুকে রাম নাম লিখব। সেই সময় আমি প্রায় ১০ হাজার বার রাম নাম লিখেছি।” শতাব্দী প্রাচীন বিবাদে ইতি টেনে গত ৯ নভেম্বর অযোধ্যা মামলায় রায় ঘোষণা করে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ সর্বসম্মতভাবে এই মামলায় রায় দেয়। রায় অনুযায়ী শর্তসাপেক্ষে বিতর্কিত জমি দেওয়া হয় রাম জন্মভূমি ন্যাসকে। অযোধ্যাতেই পাঁচ একর বিকল্প জমি দেওয়া হয় মুসলিম পক্ষ বা সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে। ১৯৯৯ সালের অযোধ্যা আইনের আওতায় তিন মাসের মধ্যে কেন্দ্রকে ট্রাস্ট গড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অযোধ্যা মামলায় সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বেজায় খুশি রাম নাম ব্যাংকের গ্রাহক ওই তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্রের তরুণী কর্মী।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement