BREAKING NEWS

২৮ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

ঈশ্বরের ঘরেই জালিয়াতি! রাম মন্দির ট্রাস্টের অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও লক্ষাধিক টাকা

Published by: Paramita Paul |    Posted: September 10, 2020 4:55 pm|    Updated: September 10, 2020 4:55 pm

An Images

ছবিটি প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবার সোজা ভগবানের ঘরেই জালিয়াতি! রামমন্দির ট্রাস্টের চেক নকল করে জালিয়াতরা লক্ষাধিক টাকা তুলে নিয়েছে বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার অযোধ্যায় পুলিশি অভিযোগ দায়ের করে ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ। প্রাথমিক তদন্তে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের গাফিলতিই স্পষ্ট হয়েছে।

অযোধ্যা পুলিশ সূত্রে খবর, ১ ও ৩ সেপ্টেম্বর, দু’দফায় রামমন্দির (Ram Mandir Trust) ট্রাস্টের অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ছয় লক্ষ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। প্রথম দফায় আড়াই লক্ষ ও দ্বিতীয় দফায় সাড়ে তিন লক্ষ টাকা তোলা হয়েছে। ৯ সেপ্টেম্বর ফের ৯ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা তোলার জন্য চেক জমা পড়েছিল ব্যাংক। তখন তাঁদেরসন্দেহ হওয়ায় মন্দির কর্তৃপক্ষকে ফোন করে। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়। ওই চেকটি আরও ক্লিয়ার করা হয়নি। বদলে থানায় অভিযোগ জানায় কর্তৃপক্ষ।

[আরও পড়ুন : ‘রাম মন্দিরের ভূমিপুজোর দিন লকডাউন হিন্দুবিরোধী মনোভাবের পরিচয়’, মমতাকে তোপ নাড্ডার]

ঘটনা প্রসঙ্গে অযোধ্যার ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল দীপক কুমার বলেন, “শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে জালিয়াতি করে টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন ট্রাস্টের সেক্রেটারি চম্পত রাই।” প্রসঙ্গত, বুধবার ব্যাংক থেকে ভেরিফিকেশনের জন্য রাইকেই ফোন করা হয়েছিল। সঙ্গে সঙ্গে তিনি জানান, ওই চেক নম্বরের আসল চেকটি তাঁদের কাছেই আছে। কেউ বা কারা চেকটি নকল করে টাকা তুলেছে। তবে এই ঘটনায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ব্যাংকের কর্মচারীরা এই জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন বলে মনে করছে তদন্তকারী দল। তাঁরা জানিয়েছে, রাম মন্দির ট্রাস্টের টাকা পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে। গোটা বিষয়টির সঙ্গে যুক্ত চক্রটিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন : দু’মাসের বিদ্যুৎ বিল প্রায় ৩ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা! মাথায় হাত কৃষকের]

জালিয়াতির ঘটনায় কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আরজি জানিয়েছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আঞ্চলিক মুখপাত্র শরদ শর্মা। তিনি বলেন, জালিয়াতদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আমরাও বিষয়টা হালকাভাবে নিচ্ছি না। প্রসঙ্গত, রাম মন্দির তৈরির জন্য বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা অনুদান এই অ্যাকাউন্টে জমা পড়ে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement