Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২২ জুলাই ২০২৬

অবশেষে নোট বাতিলের রিপোর্ট পেশ, ব্যর্থতাতেই ‘শিলমোহর’ আরবিআইয়ের

৯৯.৩ শতাংশ টাকা ফিরে এসেছে সিস্টেমে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০১৮, ১৩:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০১৮, ১৩:৪৯

options
link
অবশেষে নোট বাতিলের রিপোর্ট পেশ, ব্যর্থতাতেই ‘শিলমোহর’ আরবিআইয়ের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নোট বাতিলের প্রায় ১৯ মাস পর পেশ হল ফলাফলের হিসেব। কী পেল দেশ, কত কালো টাকা উদ্ধার হল বিমুদ্রাকরণে, নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর থেকেই এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজছিল গোটা দেশ। নোট বাতিলের ফলে প্রায় তিনমাস ব্যাপী যে চরমতম ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছিল তা আদৌ কতটা সফল এ প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল রাজনৈতিক মহলে। এবার উত্তর মিলল প্রায় ১৯ মাস পর। নোট বাতিলের পর যে নোট গোনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল তা অবশেষে শেষ। রিপোর্ট পেশ করল আরবিআই।

[বাম বুদ্ধিজীবীদের গ্রেপ্তারিতে তুঙ্গে রাজনীতি, রাহুলকে পালটা আক্রমণ বিজেপির]

এতদিন রিপোর্ট পেশ করা যাচ্ছিল না বলে অস্বস্তিতে ছিল আরবিআই তথা সরকার। কিন্তু রিপোর্ট পেশের পরও অস্বস্তি কাটল না বরং বাড়ল। রিপোর্টে বলা হয়েছে,  আগে যে পরিমাণ ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট সিস্টেমে ছিল, নোটবাতিলের পর তাঁর ৯৯.৩ শতাংশ ফিরে এসেছে। নোটবাতিলের আগে সিস্টেমে ছিল ১৫.৪১ লক্ষ কোটি টাকা। নোট বাতিলের পর ব্যাংকগুলিতে জমা পড়েছে ১৫.৩১ কোটি টাকা। অর্থাৎ বিপুল কাঠখড় পুড়িয়ে, ব্যাপক ঝঞ্জাট করে, শতাধিক প্রাণের বিনিময়ে কালো টাকা হিসেবে বাতিল হয়েছে মোটে ১০ হাজার কোটি টাকা। অথচ সরকারের দাবি ছিল, অন্তত কয়েক লক্ষ কোটি টাকা কালো টাকার কালো টাকা সিস্টেমে রয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, যদি কয়েক লক্ষ টাকার কালো টাকা সিস্টেমে থেকে থাকে তাহলে তা ধরা পড়ল না কেন? তবে কি ঘুরপথে সেই সব টাকা সাদা টাকায় রূপান্তরিত করে ফেলল অসাধু ব্যবসায়ীরা? প্রশ্নের উত্তর মেলেনি।

[বন্যাতেও বিরাম নেই মদ্যপানে, ১০ দিনে ৫১৬ কোটির মদ বিক্রি কেরলে]

যদিও, রিজার্ভ ব্যাংকের তরফে দাবি করা হয়েছে বিমুদ্রাকরণের ফলে আদপে উপকারই হয়েছে অর্থনীতির। সিস্টেমে আগের থেকে বেশি টাকা এসেছে। ব্যবসায়িক লেনদেন বেড়েছে, ব্যবসা ক্ষেত্রে আরও স্থিতাবস্থা পেয়েছেন ব্যবসায়ীরা। যদিও, সিদ্ধান্ত ঘোষণার সময় যে উদ্দেশ্যগুলির কথা প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন তার কোনওটিই উল্লেখ নেই রিপোর্টে। রিপোর্ট পেশের সঙ্গে সঙ্গেই সরকারের উপর আক্রমণের সুর চড়িয়েছেন কংগ্রেস নেতা তথা প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.