Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

এনবিএফসি লালবাতি জ্বাললে বিপাকে পড়বে ব্যাংকগুলি, সতর্কবার্তা আরবিআইয়ের

ব্যাংকিং ক্ষেত্রের সবচেয়ে বড় সমস্যা এনপিএ বা অনাদায়ী ঋণ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০১৯, ১১:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০১৯, ১১:২২

options
link
এনবিএফসি লালবাতি জ্বাললে বিপাকে পড়বে ব্যাংকগুলি, সতর্কবার্তা আরবিআইয়ের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বৃহৎ নন-ব্যাংকিং সংস্থায় (এনবিএফসি) লালবাতি জ্বললে তার প্রভাবে বাণিজ্যিক ঋণদাতাগুলিতেও ধস নামতে পারে। আর সেকারণে এনবিএফসিগুলির উপর আরও নজরদারির প্রয়োজনের কথা বলছে রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া। বৃহস্পতিবার শীর্ষ ব্যাংক ‘ফিনান্সিয়াল স্টেবিলিটি রিপোর্ট’ প্রকাশ করেছে। সেখানেই এনবিএফসি সম্পর্কে এই সতর্কবাণী। তবে সেইসঙ্গে দেশের ব্যাংকগুলিতে অনুৎপাদিত সম্পদের (এনপিএ) বাড়বাড়ন্ত নিয়েও আশার কথা শোনানো হয়েছে। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, আগামী মার্চের মধ্যে এনপিএ কিছুটা হলেও কমবে। উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে ব্যাংকিং ক্ষেত্রের সবচেয়ে বড় সমস্যাই হল এনপিএ বা অনাদায়ী ঋণ, যা দিনদিন উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।

[আরও পড়ুন: ‘যোগ্য সম্মান পাননি দাদু’, সোনিয়া-রাহুলকে ক্ষমা চাইতে বললেন নরসিমা রাওয়ের নাতি]

Advertisement

গতবছর ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিজিং অ্যান্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস (আইএলঅ্যান্ডএফএস), দেশের একটি বৃহৎ এনবিএফসিতে বেশ কয়েকটি ঋণখেলাপের ঘটনা ঘটে। ফলে সরকার ওই সংস্থার কাজকর্ম অধিগ্রহণ করে। সেই সঙ্গে আরও কয়েকটি এনবিএফসিতেও একই ধরনের ঘটনা ঘটে। তাদের মধ্যে অন্যতম হল দিবান হাউসিং ফিনান্স, একটি বৃহৎ আবাসন ঋণ সংস্থারও নগদের অভাবে ঋণ পরিশোধে সমস্যা দেখা দেয়। যার প্রভাবে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলিকেও লোকসানের মুখে পড়তে হয়।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আরবিআই সম্প্রতি এনবিএফসিগুলির নগদ সমস্যা মেটাতে বিশেষ কিছু ব্যবস্থা নিয়েছে। তবে স্টেবিলিটি রিপোর্টে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই প্রথম এনবিএফসির ঋণখেলাপে পুরো আর্থিক সংস্থা ক্ষেত্রের বিপদের কথা শোনাল।
রিজার্ভ ব্যাংক জুন ও ডিসেম্বরে ফিনান্সিয়াল স্টেবিলিটি রিপোর্ট পেশ করে থাকে। সাম্প্রতিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ব্যাংকের ঋণদান বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৯-এর মার্চে ঋণ ২৯.২ শতাংশ। যেখানে ২০১৭ ও ২০১৮ সালের মার্চের শেষে তা ছিল যথাক্রমে ২১.২ শতাংশ ও ২৩.৬ শতাংশ। উল্লেখ্য, অনাদায়ী ঋণের চাপে রীতিমতো ধুঁকছে স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া-সহ একাধিক সরকারি ব্যাংক। ফলে টান পড়ছে তাদের মূলধনে। গতবছরই ব্যাংকিং সেক্টরকে উজ্জীবিত করতে রাজকোষ থেকে অর্থ সাহায্য দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। তবে এভাবে চললে ও অনাদায়ী ঋণ আদায় না করা হলে লালবাতি জ্বালতে বাধ্য হবে ব্যাংকগুলি বলেই মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।  

[আরও পড়ুন: ভাঙা পড়বে কৃষ্ণার তীরে থাকা চন্দ্রবাবুর বাড়ি, খালি করতে নোটিস জগনের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.