সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তাঁর হাত ধরেই ভারতীয় কৃষিক্ষেত্রে বিপ্লব এসেছিল। কৃষক এবং কৃষিক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনযাপনে আমূল বদল আনার কারিগর তিনি। সেই বিখ্যাত কৃষি বিজ্ঞানী এমএস স্বামীনাথন (MS Swaminathan) প্রয়াত। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৮ বছর।
১৯২৫ সালের ৭ আগস্ট জন্ম স্বামীনাথনের। দীর্ঘদিন কৃষি গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। মূলত মিশ্র চাষ, চাষে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহার, ফসলে শংকর প্রজাতির ব্যবহার নিয়ে বিস্তৃত গবেষণা করেছেন তিনি। ধানের নতুন নতুন প্রজাতি আবিষ্কারের জন্য গোটা বিশ্বে স্বীকৃত স্বামীনাথন। ছয়ের দশকে যে সবুজ বিপ্লব ভারতীয় কৃষি ব্যবস্থা তথা সার্বিকভাবে ভারতের অর্থনীতিকে শক্ত ভিতের উপর দাঁড় করিয়েছিল, সেটিও মূলত তাঁর মস্তিষ্কপ্রসূত। স্বামীনাথনকেই ভারতের সবুজ বিপ্লবের জনক বলা হয়।
দীর্ঘ কর্মজীবনে একাধিক গবেষণা সংস্থার এবং সরকারি পদে আসীন ছিলেন স্বামীনাথন। ১৯৭২ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ এগ্রিকালচারাল রিসার্চের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৯ থেকে ১৯৮০ পর্যন্ত ভারতের কৃষি ও সেচমন্ত্রকের প্রধান সচিব ছিলেন। তিনি আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা সংস্থার ডিরেক্টর হিসাবেও দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন যোজনা কমিশনের সঙ্গেও।
কৃষি গবেষণায় অবদানের জন্য বহু সম্মানও পেয়েছেন। ভারত সরকার তাঁকে তিনবার পদ্ম সম্মান পেয়েছেন। ১৯৮৭ সালে প্রথম বার বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারও তাঁকেই দেওয়া হয়। ১৯৭১ সালে তিনি পান রামন ম্যাগসাইসাই সম্মান। ১৯৮৬ সালে তাঁকে দেওয়া হয় আইনস্টাইন বিশ্ব বিজ্ঞান পুরস্কার। তাঁর প্রয়াণে কৃষি বিজ্ঞান গবেষণা ক্ষেত্রে বিরাট শূন্যতা তৈরি হল।
Advertisement
Advertisement
সর্বশেষ খবর
-
হিন্দু সংগঠনের চাপে মহিলা কর্মীদের সরানো নিয়ে বিতর্ক! সরছেন আইফেল টাওয়ারের পরিচালক
-
অন্ধভক্তির চেনা প্রেক্ষাপটে রুখে দাঁড়ানোর কাহিনি, কেমন হল ‘হুঙ্কার: দ্য রোর’?
-
রামায়ণের রাজা জনকের কুলদেবী এই দুর্গা, নেপালের মন্দিরে পুজো হয় তন্ত্রমতে, কেন জানেন?
-
সরকারি চাকরি পেয়েছে বন্ধুরা! অবসাদে চরম সিদ্ধান্ত ‘বেকার’ তুফানের
-
এশিয়াড সেলিংয়ে রুপো থেকে স্কোয়াশে ব্রোঞ্জ, দ্বাদশ দিনের শেষে পদক তালিকায় কোথায় ভারত?