Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

অমিত শাহর প্রস্তাবে সই রাষ্ট্রপতির, বাতিল সংবিধানের ৩৭০ ধারা

বাতিলের প্রস্তাব ৩৫এ ধারাও

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৫, ২০১৯, ১৫:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৫, ২০১৯, ১৫:২৯

options
link
অমিত শাহর প্রস্তাবে সই রাষ্ট্রপতির, বাতিল সংবিধানের ৩৭০ ধারা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক :  বেশ কিছুদিন ধরেই জল্পনা চলছিল। সেই মতোই কাশ্মীরের বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা তুলে দিল কেন্দ্র। সোমবার রাজ্যসভায় জম্মু কাশ্মীর সংরক্ষণ বিল নামের একটি বিল পেশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। যদিও আগেই গেজেট নোটিফিকেশনে সই করে ওই দুই ধারা বাতিল করে দেন  রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। রাষ্ট্রপতির সইয়ের সঙ্গে সঙ্গেই কাশ্মীরকে বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া ৩৭০ ধারা বিলুপ্ত হল।

[আরও পড়ুন: অমিত শাহর প্রস্তাবে সই রাষ্ট্রপতির, বাতিল কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা]

সোমবার, তুমুল জল্পনার শেষে রাজ্যসভায় বিতর্কিত ৩৭০ ও ৩৫এ ধারা বাতিল করার প্রস্তাব করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী। বিরোধীদের প্রবল বিরোধিতা ও হট্টগোলের মধ্যে বিতর্কিত ধারাটিকে বাতিল করতে রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করা হয়। প্রস্তাবটি কাশ্মীর সংরক্ষণ বিল নামে একটি বিল আকারে পেশ করা হয়। এই প্রস্তাবে রাষ্ট্রপতি সইও করেন। এর ফলে বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা হারাল কাশ্মীর। কাশ্মীরের পৃথক সংবিধান বাতিল হল। উপত্যকাতেও এবার চালু হল ভারতীয় দণ্ডবিধি। কাশ্মীরের যে পৃথক দণ্ডবিধি চালু ছিল তাও বাতিল হল। সেই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের পেশ করা সমস্ত বিল এখন সরাসরি কাশ্মীরে লাগু করা যাবে। এর জন্য কাশ্মীর সরকারের অনুমতি লাগবে না। সেই সঙ্গে, দেশের অন্য প্রান্তের মানুষও কাশ্মীরে জমি কিনতে পারবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কাশ্মীর নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক মোদি-শাহর, রাজধানীর অলিন্দে তুঙ্গে জল্পনা]

বিল পেশ করার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কাশ্মীরের মানুষ দীর্ঘদিন দমবন্ধ পরিস্থিতিতে রয়েছে। দীর্ঘদিন কেন্দ্রীয় সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। নতুন এই পদক্ষেপে কাশ্মীরের বিপুল উন্নয়ন হবে। ৩৭০ সরানোর পাশাপাশি উপত্যকাকে দু’টি ভাগে ভাগ করে দেওয়া হল।জম্মু ও কাশ্মীরকে দু’ভাগে ভাগ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীর মিলিয়ে একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল অন্যদিকে লাদাখকে পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।  নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী লাদাখে কোনও বিধানসভা থাকছে না। অন্যদিকে, জম্মু ও কাশ্মীরে পৃথক বিধানসভা থাকলেও, স্থানীয় সরকারের হাতে নিরাপত্তা বা আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব থাকবে কেন্দ্রের উপরই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.