Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Lockdown

লকডাউনে ১২ হাজার মানুষকে বিনামূল্যে চাল! ক্ষুধার্তের পেট ভরাচ্ছে হায়দরাবাদের ‘রাইস এটিএম’

এই রাইস এটিএমের নেপথ্যে এক মধ্যবিত্ত যুবক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০, ১০:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০, ১০:১৯

options
link
লকডাউনে ১২ হাজার মানুষকে বিনামূল্যে চাল! ক্ষুধার্তের পেট ভরাচ্ছে হায়দরাবাদের ‘রাইস এটিএম’ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাইস এটিএম (Rice ATM)। নিরন্ন মানুষের কাছে এ যেন এক স্বপ্নের নাম। হায়দরাবাদের (Hyderabad) এলবি নগরে অবস্থিত এই এটিএম থেকে বিনামূল্যে চাল পেতে পারেন যে কোনও খেতে না পাওয়া দরিদ্র মানুষ। গত মার্চের লকডাউনের (Lockdown) সময় থেকে এখনও পর্যন্ত ১২ হাজারেরও বেশি মানুষ এই এটিএম-এর সাহায্যে নিজেদের খিদে মেটাতে পেরেছেন।

মৃত্যুমুখ থেকে ফিরে আসা এক যুবক এই স্বপ্নের কারিগর। রামু দোসাপাতি নামের এমবিএ পাশ এই যুবক মনে করেন, ‘‘আমি চাই ক্ষুধার্ত অবস্থায় কেউ যেন ঘুমিয়ে না পড়ে। আর সেই কারণেই আমি এই প্রচেষ্টা শুরু করেছি। এই এটিএমে যে কেউ এসে তাঁর প্রয়োজনমতো চাল নিয়ে যেতে পারেন।’’

Advertisement

[আরও পড়ুন: GST সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘন কেন্দ্রের! প্রকাশ্যে ক্যাগের বিস্ফোরক রিপোর্ট]

২০০৬ সালে দুর্ঘটনায় মারাত্মক আহত হয়েছিলেন রামু। সেই সময়ই তিনি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছিলেন, যদি সে যাত্রা তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন তাহলে নিজের জীবনকে দরিদ্র মানুষদের কাজে লাগাবেন। কথা রেখেছেন তিনি। সুস্থ হওয়ার পর গরিব, না খেতে পাওয়া মানুষের দিকে বাড়িয়ে দিয়েছেন সাহায্যের হাত। নিজের সামর্থে যতটুকু হয়, তা দিয়েই রামু পাশে দাঁড়িয়েছেন অভাবী মানুষের।

ক্রমে নিজের ব্যক্তিগত সঞ্চয় থেকে ৪ লক্ষ টাকা খরচ করে এই ‘রাইস এটিএম’ খুলেছেন তিনি। এমন মহৎ উদ্যোগের পাশে দাঁড়িয়েছেন অনেকেই। বাড়িয়ে দিয়েছেন সাহায্যের হাত। ফলে তাঁর স্বপ্নের প্রকল্প এগিয়ে চলেছে তরতর করে। 

[আরও পড়ুন: রক্ষকই ভক্ষক! বাজেয়াপ্ত গাঁজা বিক্রি করে চূড়ান্ত বিপাকে ৪ পুলিশকর্মী]

ঘরে চাল ‘বাড়ন্ত’। এই অবস্থায় এই এটিএমে এলে মিলবে চাল। যে পরিমাণ চাল দেওয়া হয়, তাতে অন্তত পাঁচদিন ভালো করে চলে যাবে। কোভিড-১৯ অতিমারীর সময় দরিদ্র মানুষদের কাছে বিরাট আশীর্বাদ হয়ে এসেছে এই রাইস এটিএম। বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন। অনেকের বেতন কেটে ছোট করে দেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় তাদের কাছে স্বস্তির বার্তা বয়ে আনছে রামুর স্বপ্নের প্রকল্প।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.