Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
আরজেডি বামফ্রন্ট

উদ্দেশ্য বিজেপিকে হারানো, বিহারে দুর্নীতির অভিযোগে বিদ্ধ আরজেডির সঙ্গে জোট বামেদের!

একমঞ্চে আসতে চলেছে বাম-কংগ্রেস-আরজেডি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০২০, ১৭:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০২০, ১৭:১৬

options
link
উদ্দেশ্য বিজেপিকে হারানো, বিহারে দুর্নীতির অভিযোগে বিদ্ধ আরজেডির সঙ্গে জোট বামেদের! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উদ্দেশ্য যে কোনও মুল্যে বিজেপিকে রুখে দেওয়া। বিহারে একসময়ের পরম শত্রু লালুপ্রসাদ যাদবের আরজেডির (RJD) সঙ্গে জোট করছে বামেরা। ইতিমধ্যেই বাম নেতাদের সঙ্গে আরজেডির রাজ্য সভাপতির কথাবার্তা একপ্রকার পাকা হয়ে গিয়েছে। সব ঠিক থাকলে আসন্ন নির্বাচনে মহাজোট শিবিরে আরজেডি-কংগ্রেস এবং অন্যান্য ছোট দলগুলির পাশে দেখা যাবে কানহাইয়া কুমারদের (Kanhaiya Kumar)।

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের আগেও একবার বিজেপি বিরোধী মহাজোটে শামিল হওয়ার চেষ্টা করেছিল বামফ্রন্ট। কিন্তু সেবার লালুপ্রসাদ যাদবই পাত্তা দেননি। তাঁর ধারণা ছিল, কানহাইয়া কুমারের মতো নেতা বিরোধী শিবিরে চলে এলে তেজস্বী যাদবের (Tejashwi Yadav) গুরুত্ব কমে যেতে পারে। আর সম্ভবত সেকারণেই, বেগুসরাই কেন্দ্রে কানহাইয়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী দাঁড় করিয়েছিল আরজেডি। কিন্তু এবারের বিধানসভায় সমীকরণ অন্য। কানহাইয়া এবারে বিহারের ভোটে সিপিআইয়ের হয়ে প্রার্থী হচ্ছেন না। সুতরাং, তেজস্বী সেদিক থেকে নিশ্চিন্ত। তাছাড়া, এই মুহূর্তে ব্যক্তিগত লড়াইয়ের থেকে বিজেপিকে হারানোতেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে বিহারের দুই বিরোধী শিবির। গত ২৬ আগস্ট দুই শিবিরের মধ্যে জোট নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হয়ে গিয়েছে। সূত্রের খবর, আরজেডি-কংগ্রেস-ভিআইপি এবং আরএলএসপির (RLSP) পাশাপাশি সিপিআই, সিপিএম এবং সিপিআইএম(এল)-ও এবার মহাজোটে শামিল হতে চলেছে। আরজেডির শর্ত মেনে তেজস্বী যাদবকে মুখ্যমন্ত্রী করতেও রাজি হয়েছে বামেরা। আর মহাজোটের হয়ে স্টার প্রচারক হতে পারেন কানহাইয়া কুমার। সেজন্য অবশ্য আরজেডিকে সরকারিভাবে সিপিআইয়ের কাছে আবেদন করতে হবে। কারণ, কানহাইয়া এখন সিপিআইয়ের সর্বভারতীয় সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘আমরা কারওর হাতের পুতুল নই’, পাকিস্তানকে তীব্র আক্রমণ ফারুখ আবদুল্লার]

এদিকে বামেরা মহাজোটে আসায় মহাজোটের শক্তি খানিকটা হলেও বাড়ল তাতে সন্দেহ নেই। কারণ, বেগুসরাই, মধুবনি, নালন্দা, বক্সার, পূর্ব চম্পারণের মতো এলাকায় বামেদের বহু সক্রিয় ক্যাডার আছেন। যা আরজেডিকে সাহায্য করবে। তবে, গোল বাঁধতে পারে আসন সমঝোতায়। কারণ, মহাজোটে এখন বহু ভাগীদার। প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছে ২৪৩ আসনের বিহার বিধানসভায় আরজেডি লড়বে ১৬০-৬৫টি আসনে। আর কংগ্রেস লড়বে বাকিগুলিতে। এবার আরজেডিকে নিজেদের ভাগ থেকে আসন ছাড়তে হবে ভিআইপি পার্টি (VIP) এবং সিপিআইএম(এল)-এর জন্য। অন্যদিকে কংগ্রেসকে ছাড়তে হবে উপেন্দ্র কুশওয়াহার আরএলএসপি, সিপিআই (CPI) এবং সিপিএমের (CPIM) জন্য। অর্থাৎ সব মিলিয়ে বামেরা ১০-১৫টির বেশি আসনে লড়াই করার সুযোগ পাবে না। তাছাড়া, লালুপ্রসাদ যাদবের নামের পাশে ভুরি ভুরি দুর্নীতির অভিযোগ। এই মুহূর্তে পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে জেলও খাটতে হচ্ছে তাঁকে। এই বামেরাই লালু যখন ক্ষমতায় ছিলেন তখন তাঁর বিরোধিতা করত। আবার তাঁরাই আজ লালুকে বরণ করে নিচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই দলের গ্রহণযোগ্যতা কমার সম্ভাবনা থাকছে। তবে বিজেপিকে আটকাতে সেই ক্ষতি স্বীকার করতেও রাজি বামফ্রন্ট।  

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.