Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
azaan competition

মুসলিম শিশুদের নিয়ে ‘আজান’ প্রতিযোগিতার প্রস্তাব শিব সেনা নেতার, কটাক্ষ বিজেপির

এর জেরে প্রবল বিতর্ক তৈরি হয়েছে মহারাষ্ট্রে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১, ২০২০, ১৮:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১, ২০২০, ১৮:৩৬

options
link
মুসলিম শিশুদের নিয়ে ‘আজান’ প্রতিযোগিতার প্রস্তাব শিব সেনা নেতার, কটাক্ষ বিজেপির zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুসলিম শিশুদের নিয়ে অনলাইনে ‘আজান’ প্রতিযোগিতা আয়োজন করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন শিব সেনার এক নেতা। এর জেরে প্রবল বিতর্ক তৈরি হয়েছে মহারাষ্ট্রে। ক্ষমতা ধরে রাখতে উগ্র হিন্দুত্ববাদের প্রচারকরা আজ আদর্শ বদলাচ্ছে বলেও কটাক্ষ করেছে বিজেপি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি দক্ষিণ মুম্বই ডিভিশনের শিব সেনা (Shiv Sena)’র দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা পাণ্ডুরঙ্গ সাকপাল (Pandurang Sakpal) মুসলিম শিশুদের নিয়ে অনলাইনে আজান (azaan) প্রতিযোগিতায় আয়োজনের প্রস্তাব দেন। একটি সংবাদংমাধ্যম সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ মুম্বইয়ের একটি মুসলিম কবরস্থানের কাছে আমি থাকে। সেখানে প্রতিদিনই আজানের সুর ভেসে আসে আমার কানে। এটা শুনতে আমার ভালও লাগে। এখনও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে সবাই ঘরবন্দি রয়েছেন। স্কুল বন্ধ থাকায় শিশুরাও অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ছে। তাদের খুশি রাখতে গীতা পাঠের প্রতিযোগিতার মতো আজানের প্রতিযোগিতা করতে বলেছি আমার সহকর্মী শাকিল আহমেদ। আমাদের যেমন আরতি হয় আজানও সেই প্রকৃতির বলে আমার মনে হয়। প্রয়াত বালাসাহেব ঠাকরেও কোনও ধর্মের বিরুদ্ধে ছিলেন না। এমনকী উদ্ধব ঠাকরেও সমস্ত সম্প্রদায়কে এক চোখে দেখে।’

Advertisement

[আরও পড়ুন: কৃষক আন্দোলনের চাপে আরও বড় জোট সংকটে বিজেপি, এবার হরিয়ানায় ‘বেসুরো’ জেজেপি]

তাঁর এই সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হওয়ার পরেই বিতর্কের সৃষ্টি হয় মহারাষ্ট্রে রাজ্য রাজনীতিতে। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য শিব সেনা নিজেদের আদর্শ বলতে ফেলেছে বলেও কটাক্ষ করে প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। তাদের এক বিধায়ক অতুল ভাটকলকর বলেন, শিব সেনা সারাজীবন রাস্তায় নমাজ পড়ার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে এসে। ভোটের সময় প্রচার করে এসেছে কংগ্রেসকে ভোট দেওয়া মানে সন্ত্রাস বা আজমল কাসভের জন্য ভোট দেওয়া। সেখানে আজ ওরা ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য নিজেদের আদর্শ বদলে ফেলেছে।

[আরও পড়ুন: স্ত্রীকে ইসলাম ধর্মকে গ্রহণ করতে চাপ দেওয়ার অভিযোগ, মধ্যপ্রদেশে ধৃত যুবক]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.