সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রান্নার তেলের কোম্পানি, ফরচুনের দেওয়া বিজ্ঞাপন ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। অভিযোগ উঠেছে, এই বিজ্ঞাপন কিছু সম্প্রদায়ের অনুভূতিকে আঘাত করেছে। বিতর্কের জেরে পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপের দিকে যেতে থাকে। শেষ পর্যন্ত বিজ্ঞাপনটি তুলে নিতে কার্যত বাধ্য হয় ওই ফরচুন ফুডস।
[ #MeToo অভিযোগকারীদের আইনি পরামর্শ দেবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিরা ]
শুরু হয়েছে পুজোর মরশুম। দুর্গাপুজোর সঙ্গে যেমন বাঙালিদের আবেগ ও রীতি ওতোপ্রতোভাবে জড়িয়ে রয়েছে, তেমনই অবাঙালিরাও এই সময় পালন করেন নবরাত্রি উৎসব। সাধারণত এই সময় বেশিরভাগ মানুষই নিরামিষ আহার করেন। কেউ আবার সারাদিন নির্জলা উপোস করেন। মাছ মাংসে ছোঁয়াছুঁয়িতেও অনেক বাড়িতেই নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। আর এরই মধ্যে ওই তেলের বিজ্ঞাপনে রীতিমতো চর্ব্যচোষ্য দিয়ে আহার করার কথা বলা হয়েছে। চিংড়ি মাছের মালাইকারী থেকে কষা মাংস, বাদ নেই কিছুই। আর এখানেই উঠেছে বিতর্ক। পুজোর মরশুমে, যেখানে মানুষ উপোস করে, নিরামিষ খায়, সেই সময় এমন একটি বিজ্ঞাপন তৈরি করার কী মানে? এটি মানুষের অনুভূতিকে আঘাত করবে বলেও সরব হয়েছে একাধিক সংগঠন।
এই নিয়ে ইতিমধ্যেই একটি হ্যাশট্যাগ চালু হয়ে গিয়েছে। যারা এই বিজ্ঞাপনের বিরোধী, তারা #BoycottFortuneFoods দিয়ে সোশ্যাল সাইটে তাদের মন্তব্য জানাতে শুরু করে দিয়েছে। হিন্দু জনজাগৃতি সমিতি ও সনাতন সংস্থা মূলত এই বিজ্ঞাপনটির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে। উল্লেখ্য, এই দুই সংস্থাই গৌরী লঙ্কেশ, নরেন্দ্র দাবোলকর ও এমএম কালবর্গীর মৃত্যু সঙ্গে জড়িত বলে প্রমাণিত হয়েছে।
[ লস্কর-জইশের টার্গেটে ভারতীয় বন্দরগুলি, হামলার আশঙ্কায় বাড়ছে নিরাপত্তা ]
একটা বিজ্ঞাপনের জন্য উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে দেখে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বিজ্ঞাপনটি তুলে নেয় ফরচুন ফুডস। এর জন্য ক্ষমাও চেয়ে নেয় তারা। ফেসবুক ও টুইটার, দু’টি সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম থেকেই বিজ্ঞাপনটি তুলে নেওয়া হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
‘আমার ছেলেকে খুনের চেষ্টা করেছিল’, ইরানের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দাবি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর
-
মরশুম নির্ভর নয়, বছরভরই পর্যটনের গন্তব্য হবে বাংলা! জেলায় জেলায় সেল গঠনের পথে রাজ্য
-
সিরাজের সঙ্গে ঝামেলা শ্রীলঙ্কার ব্যাটারের! আউট হতেই তারকা পেসারের খোঁচা, ‘ব্যাট চুপ করে গেল?’
-
অনলাইনে খাদ্যপণ্য হিসাবে বিষাক্ত ধুতরো বিক্রি! আমাজন, বিগবাস্কেট, ইনস্টামার্টের লাইসেন্সে স্থগিতাদেশ
-
ভূমিকম্পে প্রাণ বাঁচাবে ক্যাপসুল, দুর্গাপুরের অভিজিতের আবিষ্কারে দুর্যোগেও নিরাপদ মানুষ!