Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬

পদের লোভ দেখিয়ে বিজেপি নেত্রীকে ‘ধর্ষণ’, গ্রেপ্তার আরএসএসের রাজ্য নেতা

রাজ্য বিজেপির শীর্ষপদেও কাজ করেছেন সংঘ ঘনিষ্ঠ ওই নেতা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৮, ০৯:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৮, ০৯:১৬

options
link
পদের লোভ দেখিয়ে বিজেপি নেত্রীকে ‘ধর্ষণ’, গ্রেপ্তার আরএসএসের রাজ্য নেতা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিজেপির এক প্রাক্তন নেত্রীর সঙ্গে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিনের পর দিন সহবাসের অভিযোগে অবশেষে গ্রেপ্তার করা হল আরএসএস-এর রাজ্য নেতা অমলেন্দু চট্টোপাধ্যায়কে। সোমবার বিকেলে দিল্লির দেশবন্ধু নগর সংঘেরই পঞ্চায়েত সংক্রান্ত একটি দপ্তর থেকে লালবাজারের গোয়েন্দারা তাঁকে গ্রেপ্তার করেন। রাজ্য বিজেপির ওই প্রাক্তন নেত্রী দিনকয়েক আগেই বেহালা মহিলা থানায় অমলেন্দুবাবুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এবং পদ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগ করেন। তদন্তের দায়িত্ব নেন লালবাজারের গোয়েন্দারা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এদিন গোয়েন্দারা অমলেন্দুকে গ্রেপ্তার করেন।

[বাগরিই কি বেশি ভয়াবহ? দুঃসহ স্মৃতি রোমন্থনে নন্দরামের মালিক]

অমলেন্দু সংঘ প্রধান মোহন ভাগবতের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। সোমবার থেকে সংঘের তিনদিনব্যাপী এক সম্মেলন শুরু হয়েছে। তাতে যোগ দিতেই অমলেন্দু দিল্লি এসেছিলেন। তার আগেই আরএসএস নেতার গ্রেপ্তারির ঘটনাতে স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিতে পড়েছে আরএসএসও। যদিও সংঘের পক্ষ থেকে এবিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এদিন কিছু জানানো হয়নি। বেহালা থানায় এফআইআর দায়ের করে দলের ওই প্রাক্তন নেত্রী জানিয়েছিলেন, “গ্যাসের ডিলারশিপ নিয়ে মধ্য কলকাতার একটি পাঁচতারা হোটেলে জরুরি বৈঠক আছে বলে আমাকে ডেকে পাঠান রাজ্য বিজেপির এক শীর্ষনেতা। সেখানে আমাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটি এবং রাজ্য আরএসএসের দুই নেতা। সেই যাত্রায় আমাকে রক্ষা করেন রাজ্য আরএসএস আর এক নেতা অমলেন্দু চট্টোপাধ্যায়। তখন থেকেই তাঁর সঙ্গে আমার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এমনকী আমার ফ্ল্যাটেও তিনি বহুবার এসেছেন।”

Advertisement

[কোথায় মালিক? জ্বলন্ত বাগরিতে ব্যবসায়ীদের ক্ষোভের মুখে ফিরহাদ]

অভিযোগ, ওই নেত্রীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিনের পর দিন সহবাস করেন অমলেন্দুবাবু। এই অভিযোগ পেয়ে অমলেন্দুবাবুর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। এরপরেই তদন্তের দায়িত্ব নেন লালবাজারের গোয়েন্দারা। অভিযুক্ত নেতাকে ধরতে রবিবারই দিল্লি যান তাঁরা। 

[নবান্নে বাগরি বৈঠক, মন্ত্রিগোষ্ঠীর নজরে পুরসভার ভূমিকা]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.