Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
নেতাজি মন্দির

উত্তরপ্রদেশে দেশের প্রথম নেতাজির মন্দির, উদ্বোধন করবেন আরএসএস নেতা

রাজনৈতিক মতাদর্শে ভিন্ন মেরু হলেও দেশনায়কের মন্দির যোগীরাজ্যে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২০, ১৩:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২০, ১৩:৫৫

options
link
উত্তরপ্রদেশে দেশের প্রথম নেতাজির মন্দির, উদ্বোধন করবেন আরএসএস নেতা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আজ ঘরের ছেলের জন্মদিন। নিজের দেশে এই প্রথমবার পূজিত হবেন নেতাজি। প্রথমবার বললে হয়তো ভুল হবে। কারণ, দেশবাসীর মননে নেতাজি সবসময়েই পূজিত। তবে, এবার ‘দেশনায়ক’ আরাধনায় মন্দির তৈরি হল। আর পাঁচ ঈশ্বরের মতোই তিনি পূজিত হবেন। আর নেতাজি’র সেই মন্দির কিনা তৈরি হল একেবারে যোগীরাজ্যে। যদিও রাজনৈতিক মহলের একাংশ এর নেপথ্যে সুচারু রাজনীতির অঙ্ককেই দেখতে পাচ্ছেন।

আজ নেতাজির জন্মদিন উপলক্ষে সেই মন্দিরের উদ্বোধন করবেন আরএসএস নেতা ইন্দ্রেশ কুমার। রাজনৈতিক মতাদর্শে দুই ভিন্ন মেরু হলেও ‘দেশনায়ক’কে সম্মান জানাতে উত্তরপ্রদেশের তৈরি হল সুভাষচন্দ্র বসুর নামাঙ্কিত মন্দির। মোদির লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীতে গড়ে উঠেছে সেই মন্দির। সুভাষচন্দ্র বোসের ১২৩তম জন্মদিন উপলক্ষে আজ সেই মন্দিরের উদ্বোধন। আজ মন্দির খুলে দেওয়া হবে সাধারণের জন্য। আজান্দ হিন্দ মার্গে এই মন্দিরের উদ্বোধন করবেন আরএসএস নেতা ইন্দ্রেশ কুমার। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘চলো অযোধ্যা’, উদ্ধবের রাম মন্দির নিমন্ত্রণে অস্বস্তিতে রাহুল গান্ধী]

নেতাজির মন্দিরের বিশেষত্ব হিসেবে জানা গিয়েছে, এই মন্দিরে মোহন্ত হবেন একজন দলিত মহিলা। তিনিই রোজ সকালে ভারত মাতার আরতি করে মন্দির দ্বার খুলবেন। আবার রাতেও ভারত মাতার আরতি করে মন্দির দ্বার বন্ধ করবেন। সুভাষ ভবনের বাইরের অংশে নেতাজির নামে মন্দির স্থাপন করা হয়েছে। যেখানে স্থাপন করা হয়েছে সুভাষ চন্দ্র বসুর একটি আবক্ষ মূর্তি। ১১ ফিট উঁচু এই মন্দিরে সুভাষ বসুর মূর্তি কালো গ্রানাইট পাথরে নির্মাণ করা হয়েছে। মন্দির সিঁড়ি, মূল ফটক ও প্রতিমায় বিশেষ রং ব্যবহৃত হয়েছে। সিঁড়ির রং অর্ধেক সাদা ও অর্ধেক লাল করা হয়েছে। বিএইচইউ-এর অধ্যাপক ড. রাজীব এই মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি বলেছেন, “লাল রং লড়াইয়ের। আর সাদা রং শান্তির প্রতীক। অর্থাৎ একই মন্দিরে শক্তি ও শান্তি, দুইয়েরই পুজো হবে।” 

[আরও পড়ুন: CAA নিয়ে মোদির সমালোচনা করতেই প্যান্ট খুলে গেল আরজেডি সাংসদের   ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.