Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
RSS

‘সুপ্রিম কোর্টকে দেশবিরোধী শক্তির অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে’, দাবি RSS-এর মুখপত্রে

বিবিসির তথ্যচিত্রটিও অসত্য তথ্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি বলে দাবি সংঘের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৩, ১৩:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৩, ১৩:০৩

options
link
‘সুপ্রিম কোর্টকে দেশবিরোধী শক্তির অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে’, দাবি RSS-এর মুখপত্রে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবার আরএসএসের (RSS) নিশানায় সুপ্রিম কোর্ট। নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে বিবিসি (BBC Row) তথ্যচিত্র ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের ভূমিকা নিয়ে অসন্তুষ্ট তারা। সংঘের তরফে দাবি করা হয়েছে, ভারত বিরোধী শক্তিরা সুপ্রিম কোর্টকে ব্যবহার করছে। বিবিসির তথ্যচিত্রটিও অসত্য তথ্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি বলে দাবি তাদের।

মঙ্গলবার বিবিসির দিল্লি, মুম্বইয়ের দপ্তরে হানা দেয় আয়কর দপ্তর। তার আগের দিনই রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের মুখপত্র পাঞ্চজন্যের সম্পাদকীয়তে বিবিসির তথ্যচিত্রের সমালোচনা করা হয়েছে। মুখপত্রের সম্পাদকীয়র লেখক হিতেশ কুমার প্রশ্ন তুলেছেন সুপ্রিম কোর্টের ভূমিকা নিয়েও। তাঁর দাবি, নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে তৈরি বিবিসির তথ্যচিত্রটি সম্পূর্ণ কল্পনাপ্রসূত ও মিথ্যা। ভারতের বদনাম করতেই এই তথ্যচিত্র।

Advertisement

[আরও পড়ুন: পাভারের ট্যাকলে পা ভাঙতে পারত মেসির, ক্ষুব্ধ নেইমার বললেন, ‘তুমি কি উন্মাদ?’]

বিবিসির তথ্যচিত্র সম্প্রচার এ দেশে নিষিদ্ধ হয়েছে। এর বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে মামলাও দায়ের হয়। সেই মামলায় কেন্দ্রের কাছে নোটিস তলব করে শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের এই পদক্ষেপ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে ওই সম্পাদকীয়তে। লেখা হয়েছে, “সর্বোচ্চ আদালত ভারতের। দেশের করদাতার টাকায় চলে। এর কাজ (পড়ুন সুপ্রিম কোর্ট) ভারতীয় রীতিনীতি ও বিধি মেনেই হওয়া উচিত। সুপ্রিম কোর্ট ভারতীয়দের স্বার্থের জন্যই তৈরি হয়েছে। কিন্তু সেটা দেশবিরোধী শক্তির উদ্দেশ্যপূরণের অস্ত্র হিসেবে প্রয়োগ হচ্ছে।”

বিবিসির তথ্যচিত্র নিয়ে তোলপাড় গোটা দেশ। বিতর্কের মাঝে তাদের অফিসে সমীক্ষা চালাচ্ছে আয়কর দপ্তর। কলেজিয়াম প্রথা নিয়েও সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে কেন্দ্রের দড়ি টানাটানি চলছে। এর মাধে আরএসএসের এধরনে পর্যবেক্ষণ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

[আরও পড়ুন: ১০ কিমি যেতে সময় লাগে ২৯ মিনিট! পৃথিবীর ধীর গতির শহরের তালিকায় দ্বিতীয় বেঙ্গালুরু]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.