Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
সাভারকার

রাজস্থানের পাঠ্যবইয়ে আর ‘বীর’ নন সাভারকর

ব্রিটিশদের কাছে ক্ষমা চেয়ে তাঁর চিঠি লেখার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে নতুন বইতে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০১৯, ২১:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৫, ২০১৯, ২১:৩১

options
link
রাজস্থানের পাঠ্যবইয়ে আর ‘বীর’ নন সাভারকর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজস্থানের পাঠ্যবইয়ে আর ‘বীর’ নন সাভারকর। বিজেপিকে সরিয়ে রাজ্যে সরকার গড়ার পরেই ছ’মাস ধরে স্কুলের পাঠ্যবইয়ের সিলেবাসে নানা পরিবর্তন করছিল কংগ্রেস। এবার স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় সেলুলার জেলে বন্দি থাকা সাভারকরের নামের আগে ‘বীর’ উপাধি মুছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল তারা।

[আরও পড়ুন- রাজনৈতিক হিংসা ও এনআরএস কাণ্ডে রাজ্যের কাছে জোড়া রিপোর্ট তলব কেন্দ্রের]

স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় তাঁর ভূমিকা নিয়ে নানা বিতর্ক আছে। নাথুরাম গডসে যে হিন্দু মহাসভার সদস্য ছিল তার প্রতিষ্ঠাও হয়েছিল সাভারকরের হাত ধরে। জনসংঘের সৃষ্টিকর্তা শ্যামাপ্রসাদকেও হিন্দু মহাসভায় নিয়ে এসেছিলেন তিনি। এবার ইতিহাস বইয়ের পাতায় তাঁর নামের আগে লেখা ‘বীর’ তকমা সরিয়ে দিল অশোক গেহলটের নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস সরকার। এর ফলে এবার থেকে পাঠ্যবইয়ে তাঁর নাম লেখা থাকবে বিনায়ক দামোদর সাভারকর। পাশাপাশি সেলুলার জেলে বন্দি থাকাকালীন ব্রিটিশদের কাছে ক্ষমা চেয়ে তিনি যে চারটি আবেদনপত্র লিখেছিলেন, তাও উল্লেখ করা হয়েছে।

Advertisement

সম্প্রতি রাজস্থানের রাজ্য বোর্ডের তরফে প্রকাশিত পাঠ্যবইগুলিতে অনেক বদল হয়েছে। বসুন্ধরা রাজে সরকারের তৈরি করা সিলেবাসে নিয়ে আসা হয়েছে আমূল পরিবর্তন। এর জন্য এবছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি একটি কমিটিও গঠন করে গেহলট সরকার। আর তাদের সুপারিশের ভিত্তিতেই আনা হয়েছে পরিবর্তন। জানা গিয়েছে, রাজস্থান বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন-এর অনুমোদিত নতুন বইগুলি বাজারে বিতরণ করবে রাজস্থান স্টেট টেক্সট বুক বোর্ড।

[আরও পড়ুন- রেইকি করেই ঝাড়খণ্ডের ভরা হাটে মাওবাদী হামলা, তদন্তে নেমে তথ্য পুলিশের হাতে]

এপ্রসঙ্গে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট বলেন, “যখনই নতুন কেউ সরকারে আসে তখনই সিলেবাস পরিবর্তনের জন্য কমিটি গঠন করা হয়। এটাই ট্র্যাডিশন।” যদিও কংগ্রেস সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন বিজেপি বিধায়ক অশোক লাহোটি। তিনি বলেন, “এই ঘটনা ১২৫ কোটি ভারতবাসীর অপমান। আসলে কংগ্রেস একমাত্র জওহরলাল নেহরু, ইন্দিরা গান্ধী ও রাজীব গান্ধীকেই শহিদ বলে মনে করে। অন্য কেউ যে দেশের জন্য কোনও অবদান রেখেছে তা বিশ্বাসই করতে পারে না তারা।”

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এর আগে বিজেপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন পাঠ্যবই থেকে জওহরলাল নেহরু-র জীবনী সরিয়ে দিয়েছিল। আর সাভারকরকে মহান বিপ্লবী ও স্বাধীনতা সংগ্রামের বীর যোদ্ধা বলে উল্লেখ করা হয়েছিল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.