সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কার্যকালের মেয়াদ ছিল দু’বছরের। পরে তা দফায় দফায় বাড়ানো হয় মোট তিনবার। কেন ইডি (ED) প্রধান পদে এতদিন বহাল রাখা হয়েছে সঞ্জয় কুমার মিশ্রকে? কেন বারবার তাঁরই চাকরির এই মেয়াদ বৃদ্ধি? এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার দায়ের করা মামলার শুনানিতে সম্প্রতি এই প্রশ্নই তুলল সুপ্রিম কোর্ট।
একই সঙ্গে শীর্ষ আদালতের জিজ্ঞাস্য– এই পদে নিয়োগযোগ্য কি আর কেউ নেই? এক জন মানুষকে এতটা ‘ভরসা’ করার কারণ কী? তাছাড়াও সঞ্জয় কবে অবসর নেবেন, সলিসিটর জেনারেলের কাছে কোর্ট তা-ও জানতে চেয়েছে। ২০২০ সালের নভেম্বরে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট-এর শীর্ষ পদে নিযুক্ত হন সঞ্জয়। কাজের মেয়াদ দু’বছরের থাকলেও পরে দফায় দফায় তা বাড়ানো হয়। এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেই শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।
[আরও পড়ুন: কর্ণাটকে বজরং দলকে নিষিদ্ধ করার আশ্বাস! মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসের পার্টি অফিস ভাঙচুর হিন্দুত্ববাদীদের]
বুধবার মামলার শুনানি হয় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বি আর গাভাই, বিক্রম নাথ এবং সঞ্জয় করোলের বেঞ্চে। মামলায় কেন্দ্রের হয়ে সওয়াল করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছিল, ইডি-র ডিরেক্টর পদে সঞ্জয়ের মেয়াদ আর বাড়ানো যাবে না। অথচ ওই বছরেরই ১৫ নভেম্বর সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশন আইন এবং দিল্লি স্পেশ্যাল পুলিশ আইনে বদল আনে নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সরকার।
[আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’ কতটা প্রভাব ফেলবে বাংলায়? কী জানাল হাওয়া অফিস?]
সর্বশেষ খবর
-
‘উৎসবের আমেজ নষ্ট করলে…’, হুঙ্কার যোগীর
-
শুভশ্রীর জামায় রক্তের দাগ! ‘দেশু ৭’-এর শুটিং শুরু হতেই বড়মার মন্দিরে ভক্ত
-
‘নতুন জেল বানাতে হবে’, তৃণমূল নেতাদের গ্রেপ্তারিতে কটাক্ষ দিলীপের
-
বন্দুক দেখিয়ে ইট চুরি! এবার অনুব্রতর বিরুদ্ধে এফআইআর শান্তিনিকেতন থানায়
-
মাছ থেকে মার্কস! রেজ্জাকের শিষ্য কীভাবে হয়ে ওঠেন মমতার আস্থাভাজন? শওকতের উত্থান যেন চিত্রনাট্য