৩১ আষাঢ়  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার
বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ

৩১ আষাঢ়  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফলপ্রকাশ বৃহস্পতিবার। কিন্তু তার আগেই ভোট পরবর্তী নানান সমীকরণ নিয়ে অঙ্ক কষা শুরু হয়ে গিয়েছে শাসক-বিরোধী দুই শিবিরেই। এক্সিট পোলের ফলাফলে ইতিমধ্যেই জয়ের স্বাদ পেয়ে গিয়েছে বিজেপি। শাসক শিবিরে তাই এখন উৎসবের মেজাজ। প্রধানমন্ত্রীর দ্বিতীয়বার শপথগ্রহণের প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছে। বারাণসীতে আয়োজন হচ্ছে মোদির রাজ-তিলকের। হওয়াটাই স্বাভাবিক, কারণ বেশিরভাগ এক্সিট পোলেই দেখা যাচ্ছে, বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ তিনশোর বেশি আসন পেয়ে ক্ষমতায় ফিরছে। কিন্তু, এই এক্সিট পোলকে আবার পুরোপুরি খারিজ করে দিচ্ছে বিরোধীরা। এক্সিট পোল প্রকাশিত হওয়ার পর প্রাথমিকভাবে কিছুটা ঘাবড়ে গেলেও একদিন পরই শুরু হয়েছে তৎপরতা। বিরোধীদের দাবি, ২৩ মে ফলাফল দেখলে চমকে যাবে গেরুয়া শিবির। সরকার গড়বে বিরোধীরাই। সেই লক্ষ্যে নতুন সঙ্গী খোঁজার কাজও শুরু করে দিয়েছেন মহাজোট শিবিরের নেতারা।

[আরও পড়ুন: ‘সিংহের গুহায় ঢুকেছিলাম ভুল বোঝাতে’, RSS-এর অনুষ্ঠানে যোগ নিয়ে বললেন প্রণব]

কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন উইপিএতে আপাতত রয়েছে এনসিপি-ডিএমকে-আরজেডির মতো দলগুলি। বিজেপির সঙ্গে রয়েছে শিব সেনা, জেডিইউ, অকালি দলের মতো ৩৯টি দল। কোনও শিবিরেই নেই বিজেডি, টিআরএস, ওয়াইএসআর কংগ্রেসের মতো বড় দলগুলি। এই তিন দল মিলিয়ে প্রায় ৪০টি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিরোধী শিবির এই তিন দলকেও নিজেদের জোটে শামিল করতে মরিয়া। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই তিন দলের সুপ্রিমোদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে দিয়েছেন এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পওয়ার।

[আরও পড়ুন: নৈশভোজেও আলোচনার কেন্দ্র বাংলা, হিংসার নিন্দায় সরব বিজেপির শরিকরা]

পওয়ার ওয়াইএসআর কংগ্রেসের জগনমোহন রেড্ডি, টিআরএসের কে চন্দ্রশেখর রাও এবং বিজেডির নবীন পট্টনায়েককে ফোন করেছিলেন। জগনমোহন রেড্ডি পওয়ারের ফোনের জবাব দেননি। কিন্তু, কেসিআর আর নবীন পট্টনায়েকের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। এমনকী হায়দরাবাদে কেসিআরের ফার্মহাউসে পওয়ার-কেসিআর বৈঠক হয়েছে বলেও একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি। এনসিপি সূত্রের খবর, কেসিআর পওয়ারকে আশ্বস্ত করেছেন যদি কেন্দ্রে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার গড়ার মতো পরিস্থিতিতে আসে, তাহলে তাঁর দল সেই সরকারকে সমর্থন করতে প্রস্তুত। অন্যদিকে, বিজেডির তরফেও নাকি এমনই আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রে অবিজেপি সরকার হোক সেটাই চাইছে বিজেডি। কারণ, ওড়িশায় যে হারে বিজেপি বাড়ছে তাতে আগামী দিনে তা বিজেডির জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। তাই, অবিজেপি সরকারই চাইছে বিজেডি। যদিও, কোনওপক্ষই এই নয়া জল্পনা নিয়ে সরকারিভাবে মুখ খোলেনি।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং