BREAKING NEWS

১০  আশ্বিন  ১৪২৯  শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

মধ্যপ্রদেশে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন শিবরাজ, টানাপোড়েনের মাঝেই ফিরে পেলেন নিজের গড়

Published by: Sucheta Chakrabarty |    Posted: March 23, 2020 7:26 pm|    Updated: March 23, 2020 10:06 pm

Shibraj Sing take oath as CM today in Madhya Pradesh

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের নিজের গড় হাতে পেলেন মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। আজ রাতেই মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন তিনি। কমল নাথের চোদ্দ মাসের সরকারকে কৌশলে হারিয়ে ফের মধ্যপ্রদেশে গেরুয়া ঝড় এনে কুরসিতে বসলেন শিবরাজ সিং চৌহান।

মাঝে মাত্র চোদ্দ মাস সময়ের ব্যবধান। তার আগে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে ছিলেন শিবরাজ সিং চৌহান। পরে কংগ্রেস গেরুয়া শিবিরের থেকে কুরসি কেড়ে নিলেও নিজের গড় ফের দখল করেন মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে কমল নাথ ইস্তফা দেওয়ার পর থেকেই জল্পনা শুরু হয় কে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে বহাল হবেন। পরে সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আজ রাত ৯ টার সময় বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন শিবরাজ সিং চৌহান।

গত সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্ট কমল নাথকে গরিষ্ঠতা প্রমাণের নির্দেশ দেয়। কিন্তু বেগতিক দেখে বৃহস্পতিবার ইস্তফা দেন কমল নাথ। ভোটে জিতে কমল নাথ মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে। সূত্রের খবর, তখনই কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফ থেকে জ্যোতিরাদিত্যকে মুখ্যমন্ত্রী করা হবে এমনটা জানান হয়। কিন্তু পরে সেই কথা রাখেনি হাত শিবির। ক্রমশ দূরত্ব বাড়তে থাকে কমল নাথ ও জ্যোতিরাদিত্যরা। এর ফলে ফাটল দেখা দেয় মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেসে। আর এই অশান্তির সুযোগ নিয়ে তাঁকে টোপ দেন গেরুয়া শিবিরের নেতারা। এমনিতেই বিজেপির সঙ্গে সিন্ধিয়া পরিবারের সম্পর্ক নিবিড়। সিন্ধিয়া পরিবারের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যাবে বিজেপির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এই পরিবারের সদস্যরা। তাই সব শেষে বিজেপিতে যোগ দেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, সঙ্গে যোগ দেন ২২ জন বিধায়কও। ফলে মধ্যপ্রদেশে পরে যায় কংগ্রেস সরকার।

[আরও পড়ুন:ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টের, ভিডিও কনফারেন্সে সওয়াল-জবাব আইনজীবীদের]

মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসের কোন্দল দেশ বিখ্যাত, এমনকি তা নতুনও নয়। অতীতেও এই ছবি দেখা গেছে বারংবার। ২০০৩ সাল থেকে মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসের হারের নেপথ্যেও ছিল মূলত গোষ্ঠী কোন্দল। কিন্তু ২০১৮ সালে বিবদমান নেতাদেরই অনেক বুঝিয়ে এক ছাতার তলায় আনতে পেরেছিলেন রাহুল গান্ধী। তবে শেষ রক্ষা করতে পারলেন না তিনি। প্রতিষ্ঠান বিরোধিতায় বেসামাল বিজেপি সরকার সেই ঐক্যবদ্ধ ধাক্কা রুখতে পারেনি।

[আরও পড়ুন:সংক্রমণ রুখতে কড়া পদক্ষেপ, মঙ্গলবার মাঝরাত থেকে বন্ধ আন্তঃরাজ্য বিমান পরিষেবা]

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে