ভিডিওয় তাঁকে দেখা গিয়েছিল মহিলা চিকিৎসককে মারধর করতে। কিন্তু এতদসত্ত্বেও নিজের অপরাধ মানতে নারাজ শিব সেনা নেতা রমেশ মাত্রে। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে তিনি পরিষ্কার জানিয়েছেন, তিনি ক্ষমা চাইতে রাজি নন। বরং নিজের ‘কীর্তি’তে তিনি গর্বিত। জানিয়ে দিয়েছেন, ওই কাজ না করলে এক মহিলা ও তাঁর সন্তানকে বাঁচানো যেত না। তাঁর এহেন মন্তব্যে বিতর্ক আরও ঘনিয়েছে।
ঠিক কী হয়েছিল? জানা যাচ্ছে, হাসপাতালে সদ্যোজাত শিশুদের NICU ওয়ার্ডে কোনও বেড ছিল না। এই পরিস্থিতিতে এক অন্তঃসত্ত্বাকে সেখানে আনা হলে চিকিৎসকরা জানান, সদ্যোজাতকে ওই বিশেষ ওয়ার্ডে রাখার প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু যেহেতু বেড ছিল না, তাই অন্য হাসপাতাল নিয়ে যেতে বলা হয়। এখান থেকেই গোলমাল বাধে। এরপরই হাসপাতালে চড়াও হন অভিযুক্ত নেতা রমেশ। তিনি রাজ্যের কল্যাণ-ডোম্বিভলির একজন কর্পোরেটর।
আরও পড়ুন:
ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে তিনি মহিলা চিকিৎসককে এত জোরে আঘাত করছেন, তাঁর ফোনটা হাত থেকে পড়ে যাচ্ছে। পরে সংবাদমাধ্যমের সামনে সাফাই দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন, ”আমি ওই মহিলা চিকিৎসককে আক্রমণ করিনি। উনি আমার কথা না শুনে ফোন দেখছিলেন বলে সেটাই কেড়ে নিতে যাই। এতে ধাক্কা লেগে যায়।” দীর্ঘক্ষণ কথা বললেও তাঁর মধ্যে কোনও আক্ষেপ দেখা যায়নি। বরং তিনি দাবি করেছেন, ওই কাণ্ডের ফলেই এক মহিলা ও তাঁর সন্তান প্রাণে বেঁচে গিয়েছে।
ভাইরাল ভিডিও ঘিরে নিন্দার ঝড় নেটপাড়ায়। রমেশ পরিষ্কার জানিয়েছেন, তিনি ক্ষমা চাইবেন না। একমাত্র তখনই চাইবেন, যখন ওই মহিলা চিকিৎসকও ক্ষমা চাইবেন। এমন মন্তব্য ঘিরেও বিতর্ক শুরু হয়েছে। কর্তব্যরত চিকিৎসক, যিনি মহিলা, তাকে এভাবে আঘাত করেও কী করে এমন কথা তিনি বলতে পারেন উঠছে সেই প্রশ্ন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মাত্র এক বছরের কার্যকাল, দিল্লিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত বদলাচ্ছেন তারেক
-
‘দাদাকে ভরসা করি, পুলিশ ভালো কাজ করছে’, বারুইপুর এনকাউন্টারে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা নির্যাতিতার বাবার
-
আরও অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ! যে কোনও একটি ব্যবহারের আর্জিতে আদালতে হলফনামা কালীঘাট তৃণমূলের
-
দীর্ঘ বিতর্ক পেরিয়ে অবশেষে গতি হল শিশমহলের! গেস্ট হাউস হচ্ছে একদা কেজরির বাংলো
-
গলায় পিস্তল ঠেকিয়ে ৩০ লাখ টাকা আদায়! দুর্গাপুর থেকে গ্রেপ্তার ভবানীপুরের ‘ত্রাস’ ভিকি