Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

পদ্মশ্রী নিতে অস্বীকার, প্রধানমন্ত্রীকে খোলা চিঠি সন্ন্যাসীর

কারণ জানলে আপনিও বুঝবেন এ শুধু ভণ্ড রাম রহিমের দেশ নয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৮, ২০১৮, ০৪:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৮, ২০১৮, ০৪:৩৬

options
link
পদ্মশ্রী নিতে অস্বীকার, প্রধানমন্ত্রীকে খোলা চিঠি সন্ন্যাসীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশ তাঁকে সম্মানিত করতে চায়। কিন্তু সে সম্মানও তিনি সসম্মানে প্রত্যাখ্যান করতে চান। এবারের পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকায় নাম ছিল সিদ্ধেশ্বর স্বামীজির। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীকে খোলা চিঠি দিয়েই তিনি জানিয়েছেন, এ খেতাব তিনি গ্রহণ করতে চান না।

সাপের বিষ থেকে মুক্তি আয়ুর্বেদেই, নজির গড়ে পদ্মশ্রী পেলেন ‘জঙ্গলের ঠাকুমা’ ]

Advertisement

এ দেশে বহু ধর্মগুরু অতীতে ত্যাগের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। আবার ধর্মের নামে ব্যবসাও কম নয়। বিশেষত সাম্প্রতিক অতীতে সে প্রবণতা মাথাচাড়া দিয়েছে। স্বঘোষিত ধর্মগুরুদের অত্যাচার আর যৌন কুকীর্তিতে তোলপাড় গোটা দেশ। রাম রহিম কাণ্ড সারা দেশে শোরগোল ফেলেছিল। জানা গিয়েছিল, ধর্মের মুখোশ টেনে কীভাবে রাজনীতি আর ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে যৌনতার মেহফিল সাজিয়েছিলেন ওই ধর্মগুরু। সত্যিই কি তাঁদের ধর্মগুরু বলা যায়? এরপর একাধিক এ ধরনের কুকীর্তি ফাঁস হয়। প্রতি ক্ষেত্রেই দেখা যায়, ধর্ম নেহাতই শিখণ্ডি। স্রেফ সুখ, বিলাস ও ভোগই এক শ্রেণির স্বঘোষিত ধর্মগুরুদের লক্ষ্য। ফলে ধর্মগুরু শব্দটির প্রতিই যেন শ্রদ্ধা হারিয়েছিল দেশবাসী। আবার তাকে মর্যাদার আসনে তুলে দিলেন স্বামীজি।

তীব্র অনটন, তবুও দু’চোখ ভরা জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেওয়ার স্বপ্ন  ]

প্রধানমন্ত্রীকে লেখা খোলা চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন, দেশ যে তাঁকে এই খেতাব দেওযার যোগ্য মনে করেছে তাতে তিনি কৃতজ্ঞ। তবে প্রশাসনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই তিনি এই সম্মান ফিরিয়ে দিতে চান। কিন্তু কেন? তাঁর বক্তব্য, তিনি একজন সন্ন্যাসী। ফলত সম্মান-খেতাবের প্রতি তাঁর কোনও আগ্রহ নেই। নির্মোহ সন্ন্যাসীর জীবন। সেখানে সম্মান কী কাজে দেবে? ঠিক এই অনুভূতি জাগিয়ে তুলেই সরকারি খেতাব প্রত্যাখান করলেন তিনি।

এ জীবনে কোনও সম্মানই তিনি গ্রহণ করতে চান। অতীতে কর্নাটক বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়া সাম্মানিক ডক্টরেটও তিনি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য, ধর্ম ও আধ্যাত্মিকতার প্রচারই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। মানুষ তাঁর জীবনে যেন সুখের সন্ধান পান, তাঁর খোঁজ দেওয়াই তাঁর সাধনা। সেখানে খেতাব, সম্মান ইত্যাদি নেহাতই গৌণ। তবে পদ্মশ্রী প্রত্যাখ্যানের সঙ্গে রাজনীতির রং জড়াতেই পারে। তাই আগেভাগেই তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। ধর্ম যে স্রেফ নিজ উদ্দেশ্য সাধনের রাস্তা নয়, ধর্মগুরু যে নেহাতই খেলো কথা নয়, তা আবার প্রতিষ্ঠিত করলেন এই সন্ন্যাসী। বুঝিয়ে দিলেন রাম রহিমরাই সব নন, এ দেশে তাঁর মতো ধর্মগুরুরাও আছেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.