আমজনতার নাগরিক অধিকার রক্ষার স্বার্থে তাঁর লড়াইকে কুর্নিশ করেছেন স্বয়ং বিচারপতিরাই। জাতীয় রাজনীতির অন্দরে আলোচনায় ফের উঠে এসেছে বাংলার ‘বাঘিনী’র লড়াই। বঙ্গের এসআইআর নিয়ে শীর্ষ আদালতে আমজনতার হয়ে সওয়াল করে মুখ্যমন্ত্রী ফের স্বরূপ চিনিয়েছেন। এসআইআরে যাতে প্রকৃত ভোটারদের একজনেরও নাম বাদ না পড়ে, তার জন্য আইনি লড়াই যত দূর করতে হয়, তা করতে প্রস্তুত তিনি, সেই বার্তাও দিয়েছেন। কিন্তু বিরোধীরা তৃণমূল সুপ্রিমোর এই ভূমিকাকে ‘নাটক’ বলে সমালোচনায় মুখর। এই পরিস্থিতিতে পৃথক ভূমিকায় দেখা গেল ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা মানিক সরকারকে। বঙ্গ সিপিএমের ভিন্ন সুরে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানালেন। বললেন, ‘‘শ্রীমতি ব্যানার্জি দেরি করে হলেও কার্যকরী উদ্যোগ নিয়েছেন। ভালো করেছেন, তাকে আমি খাটো করে দেখতে পারছি না।”
বঙ্গ সিপিএমের ভিন্ন সুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানালেন মানিক সরকার। বললেন, ‘‘শ্রীমতি ব্যানার্জি দেরি করে হলেও কার্যকরী উদ্যোগ নিয়েছেন। ভালো করেছেন, তাকে আমি খাটো করে দেখতে পারছি না।”
আরও পড়ুন:
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজ নিয়ে রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করেন ত্রিপুরার চারবারের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করে তাঁর স্পষ্ট অভিযোগ, ‘‘এসআইআর সংক্রান্ত যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার সূচনা হয়েছিল বিহার থেকে। এখন সামনে পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন থাকায় বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না থেকে পছন্দের লোকদের বগলদাবা করে কাজ করছে, বিজেপিকে সাহায্য করছে। ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে এসআইআরকে সামনে রেখে মূলত মুসলিম, তফসিলভুক্ত এবং গরিব শ্রেণির ভোটারদের টার্গেট করা হচ্ছে। কারণ এই অংশের মানুষই বিজেপির বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ক্ষুব্ধ। তাই ভোটার তালিকা থেকে তাঁদের নাম বাদের চক্রান্ত চলছে। এর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। আমাদের কাছে প্রকৃত ভোটার হিন্দু না মুসলিম, বৌদ্ধ বা খ্রিস্টান, তিনি কোন দল করেন, এসব কিছুই বিবেচ্য নয়। শুধু তিনি প্রকৃত ভোটার কি না, তা দেখতে হবে। সেখানে যদি কারও নাম বাদ যায়, আমরা প্রতিবাদ করব, প্রতিবাদ জারি রাখব।”
এরপরই তাঁর গলায় শোনা গেল এসআইআর নিয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা। তিনি বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি এই ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে নিজেদের সার্বিক অবস্থান তুলে ধরেছেন। ৬, ৭টি পয়েন্টে তিনি কথা বলে এসেছেন। উনি মুখ্যমন্ত্রী এবং আইনজীবীও। যদিও সুপ্রিম কোর্টে তিনি বাংলার মানুষের হয়ে কথা বলেছেন বলে জানান। শ্রীমতি ব্যানার্জি অনেকটাই দেরি করে ফেলেছেন। আরেকটু আগে গেলে ভালো হতো। তবু তিনি যে আদালতে গিয়ে কথা বলেছেন, সেটাকে আমি খাটো করে দেখতে পারছি না। বরং বলব, এটা বেশ কার্যকরী উদ্যোগ। এক্ষেত্রে আগামিকাল (সোমবার) সুপ্রিম কোর্ট কী রায় দিচ্ছে, সেটা দেখতে হবে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
একটা ভুলেই হাতছাড়া ভারতের জয়! বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের আশা দেখছেন শুভমান?
-
পাকিস্তানের ‘যম’ সুদর্শন! ‘এস-৪০০-এর সন্ধানে ভারতে গুপ্তচর নামান মুনির’, দাবি প্রাক্তন এয়ার মার্শালের
-
স্ত্রীকে চাকরি, অর্থ সাহায্য, সুনীল সিংয়ের নিহত আপ্ত সহায়কের পরিবারের পাশে অর্জুন
-
‘সংখ্যাগরিষ্ঠ জেন জি আরএসএসে আছে’, দাবি বিজেপি নেতার
-
৭২ ঘণ্টায় ভাঙবে চিনের আরও এক হিমবাহ হ্রদ! ‘মৃত্যুপুরী’ নেপালে নয়া আতঙ্ক, ‘বন্ধুত্বে’র খেসারত দিচ্ছে কাঠমান্ডু?