৩ কার্তিক  ১৪২৬  সোমবার ২১ অক্টোবর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

৩ কার্তিক  ১৪২৬  সোমবার ২১ অক্টোবর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সপ্তাহ দুয়েক হল দলের অন্যতম অভিজ্ঞ, ভরসাযোগ্য সদস্য কারাবন্দি। আইএনএক্স মিডিয়া মামলায় অভিযুক্ত পি চিদম্বরমের পাশে রয়েছে কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব। এবার তাঁর পাশে দাঁড়াতে তিহাড় জেলে যাচ্ছেন দলের অন্তর্বর্তী সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী এবং মনমোহন সিং।

[ আরও পড়ুন: ‘চন্দ্রযান ২-এর সাফল্য বাড়িয়ে বলা হচ্ছে’ , কে শিবনকে খোঁচা ইসরোর প্রাক্তনীদের]

আইএনএক্স মিডিয়া মামলায় আর্থিক দুর্নীতিতে অভিযুক্ত হয়ে গত ৫ সেপ্টেম্বর সিবিআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার হন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম। একাধিকবার তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ায় একেবারে সাধারণ বন্দিদের মতোই তিহাড় জেলে রয়েছেন তিনি। এমনকী ৭৪তম জন্মদিনও কাটাতে হয়েছে জেলবন্দি হয়ে। তবে সেখান থেকেও নিয়মিত সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো সক্রিয়। ফেসবুক, টুইটারে কেন্দ্রীয় সরকারকে প্রায়শয়ই আক্রমণ করছেন। রবিবারই একটি টুইটে তিনি সিবিআইকে একহাত নিয়েছেন। চিদম্বরম প্রভাবশালী এবং প্রভাব খাটিয়ে বেরিয়ে যেতে পারেন বলে সিবিআই আশঙ্কা প্রকাশ করে। তারই জবাবে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী লেখেন, ‘জেনে বিস্মিত হচ্ছি যে কেউ কেউ ভাবছেন, আমার হঠাৎ দুটি সোনালি ডাঙা গজাবে এবং আমি জেল থেকে চাঁদে উড়ে যাব!’
গত সপ্তাহে তাঁর সঙ্গে তিহার জেলে গিয়ে দেখা করেছিলেন কংগ্রেস সাংসদ গুলাম নবি আজাদ এবং আহমেদ প্যাটেল। সমস্ত জটিলতা কাটিয়ে, আইনি লড়াই শেষে চিদম্বরম জয়ী হবেন বলেই তাঁরা আশ্বাস দিয়েছিলেন।এবার দলের নেতার পাশে গিয়ে দাঁড়াচ্ছেন দলের একেবারে শীর্ষ দুই নেতানেত্রী সোনিয়া গান্ধী এবং মনমোহন সিং। সূত্রের খবর, বেলার দিকে তাঁর সঙ্গে তিহাড় জেলে গিয় দেখা করেন এঁরা। সঙ্গে ছিলেন চিদম্বরমপুত্র কার্তিও। যাতে দু সপ্তাহ ধরে জেলবন্দি থেকে চিদম্বরমের মনোবল ভেঙে না যায়, যথাযথ মানসিক শক্তি নিয়ে তিনি লড়াইয়ে এগিয়ে যেতে পারেন, সে বিষয়ে তাঁকে চাঙ্গা করতেই সোনিয়া, মনমোহনের তিহাড়ে যাওয়া বলে মনে করা হচ্ছে।

[ আরও পড়ুন: নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের কাছে আটক মায়ানমারের জাহাজ, বাজেয়াপ্ত ৩০০ কোটির মাদক]

তবে এই মুহূর্তে চিদম্বরমের পক্ষে আইনি লড়াইয়ে জেতা বেশ কঠিন। বিশেষত তাঁর বিরুদ্ধে যেমন শক্তপোক্ত তথ্য প্রমাণ সিবিআইয়ের হাতে আছে, সেসব খণ্ডন করা তাঁর মতো দুঁদে আইনজীবীর পক্ষেও বেশ চ্যালেঞ্জিং। ফলে কতদিন তাঁকে তিহাড় জেলে থাকতে হবে, তার কোনও আন্দাজ নেই।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং