Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Srinagar Temple

সন্ত্রাসবাদের চোখ রাঙানি উপেক্ষা করে ৩১ বছর পর কাশ্মীরে খুলল মন্দির

মন্দির ফের খুলতে হিন্দুদের পাশাপাশি শামিল মুসলিমরাও।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২১, ১৫:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২১, ১৫:৪৪

options
link
সন্ত্রাসবাদের চোখ রাঙানি উপেক্ষা করে ৩১ বছর পর কাশ্মীরে খুলল মন্দির zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মন্দিরের (Srinagar Temple) দরজা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল ৩১ বছর আগে। জঙ্গি (Terrorist) কার্যকলাপের ধাক্কায় কমে গিয়েছিল এলাকার হিন্দুদের সংখ্যাও। অবশেষে দীর্ঘ তিন দশক পরে খুলল কাশ্মীরের সেই মন্দির। আর এত বছর পরে মন্দির ফের খোলার উদ্যোগে এলাকার হিন্দু বাসিন্দাদের পাশাপাশি শামিল হলেন স্থানীয় মুসলিমরা। নজির গড়লেন অনন্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির।

শ্রীনগরের হাব্বা কাদালের এই মন্দিরের নাম শীতলনাথ মন্দির। মঙ্গলবার বসন্ত পঞ্চমীতে মন্দিরে আয়োজন করা হয়েছিল বিশেষ পুজোর। সন্তোষ রাজদান নামে মন্দিরে পুজো দিতে আসা এক ব্যক্তি জানাচ্ছেন, ”জঙ্গিদের অত্যাচারের কবলে পড়ে এই মন্দির বন্ধ রাখা হয়েছিল দীর্ঘ ৩১ বছর। এমনকী, মন্দিরের আশপাশে বসবাসকারী হিন্দুরাও এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন। স্থানীয় মুসলিমরা আমাদের খুবই সাহায্য করেছেন মন্দিরটি ফের খোলার বিষয়ে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: টানা ৯দিন বাড়ল জ্বালানির মূল্য, দেখুন কলকাতা-সহ বিভিন্ন শহরের পেট্রল-ডিজেলের দাম]

একই দাবি উদ্যোক্তাদের অন্যতম রবিন্দর রাজদানের। স্থানীয় মুসলিমদের অনেকেই যে বন্ধ থাকা মন্দির পরিষ্কার করতেও সাহায্য করেছেন সেকথাও জানান তিনি। তাঁর কথায়, ‘আমাদের মুসলিম ভাইবোনরা পুজোর সামগ্রীও নিয়ে এসেছিলেন। আগে প্রতি বছরই এই দিনে পুজো হত মন্দিরে। এবারও বাবা শীতলনাথ ভাইরাওয়ের জন্মবার্ষিকী পড়েছিল বসন্ত পঞ্চমীতে। তাই এই দিনটিই আমরা বেছে নিয়েছিলাম পুজো শুরু করার জন্য।”

২০১৯ সালের আগস্টে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়া হয় জম্মু ও কাশ্মীর থেকে। রাজ্যটিকে ভাগ করা হয় দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। কয়েকদিন আগেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি রাজ্যসভায় দাবি করেন, ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালে অনেকটাই কমেছে এখানকার জঙ্গি কার্যকলাপ। তিনি বলেন, ”২০১৯ সালে যেখানে ৫৯৪টি জঙ্গি হানার ঘটনা ঘটেছিল, সেখানে ২০২০ সালে মাত্র ২৪৪টি জঙ্গি হামলা হয়েছে। একইভাবে ২০১৯ সালে পাথর ছোঁড়ার ঘটনা হয়েছিল ২,০০৯টি। ২০২০ সালে এমন ঘটনা ঘটেছে মাত্র ৩২৭টি।”

[আরও পড়ুন: ‘হাম দো হামারে দো নিয়ে বলার আগে বিয়ে করুন’, রাহুলকে খোঁচা আতাওয়ালের]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.