Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬

সুনন্দা পুষ্করের মৃত্যু হয়েছে বিষপ্রয়োগে: এইমস

কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরের স্ত্রীর মৃত্যুরহস্যে নয়া মোড়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৮, ২০১৭, ০৯:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৮, ২০১৭, ০৯:০১

options
link
সুনন্দা পুষ্করের মৃত্যু হয়েছে বিষপ্রয়োগে: এইমস zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিষ প্রয়োগেই মৃত্যু হয়েছিল কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরের স্ত্রী সুনন্দা পুষ্করের। শনিবার এই বলে কার্যত বোমা ফাটালেন ‘অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস’ বা এইমসের ফরেসনিক বিভাগের প্রধান সুধীর গুপ্ত। শনিবার তিনি জানিয়েছেন, স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি সুনন্দা পুষ্করের। তাঁর মৃত্যু অস্বাভাবিক, বিষ প্রয়োগে মারা গিয়েছেন তিনি।

সংবাদসংস্থা এএনআইকে তিনি বলেছেন, “সুনন্দা পুষ্করের মৃত্যু অস্বাভাবিক। বিষ প্রয়োগে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। পুষ্করের মৃতদেহের রাসায়নিক পরীক্ষা করে এই সিদ্ধান্তে এসেছেন বিশেষজ্ঞরা। দিল্লি পুলিশও ঘটনাস্থল থেকে যে সব প্রমাণ উদ্ধার করেছে, তা থেকেও স্পষ্ট ড্রাগ ও বিষের ওভারডোজেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর।”

Advertisement

শুধু এইমস নয়, মার্কিন গোয়েন্দারাও এই তত্ত্বে সিলমোহর দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন সুধীর গুপ্ত। এর আগে এইমস মেডিক্যাল বোর্ড তাদের রিপোর্টে জানিয়েছিল, উদ্বেগ কমানোর ড্রাগ অ্যালপ্রাক্সের ওভারডোজে মারা গিয়েছিলেন সুনন্দা। সূত্রের খবর, মৃতদেহের রক্তের নমুনা, কিডনি, লিভার থেকে অ্যালপ্রাক্স মিলেছে।

২০১৪-র ১৬ জানুয়ারি পাক সাংবাদিক মেহর তাররের সঙ্গে টুইটারে বাগযুদ্ধে জড়িয়ে পরের দিন, ১৭ জানুয়ারি রহস্যজনকভাবে সুনন্দার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মেহরের সঙ্গে শশী থারুরের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক তৈরি হয়েছে বলে অনুমান করেছিলেন সুনন্দা। প্রাথমিক অটপ্সি রিপোর্ট থেকে জানা যায়, অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধের প্রভাবেই মৃত্যু হয় তাঁর। কিন্তু সুনন্দা আত্মহত্যা করেছিলেন নাকি তাঁকে সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছিল, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছুই জানা যায়নি আজ পর্যন্ত।

গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, সুনন্দার মৃতদেহে অন্তত ১২টি আঘাতের চিহ্ন মিলেছিল। তাহলে কি মৃত্যুর আগে তাঁর উপর পাশবিক অত্যাচার করা হয়েছিল? দিল্লির লীলা হোটেলের ৩৪৫ নম্বর ঘরে থারুর ও সুনন্দা উঠেছিলেন। সুনন্দাকে শেষবার দেখা যায় ওই হোটেলের ঘরেই। এআইসিসি-র একটি সেমিনারে যোগ দিতে থারুর বেরিয়ে যাওয়ার পর রাত ৯টা নাগাদ সুনন্দার মৃতদেহ উদ্ধার হয় হোটেলের ঘর থেকে। তাঁর শেষ টুইটও ছিল রহয়ে ঠাসা। যেখানে তিনি লিখেছিলেন, “কেরল ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেসের (কেআইএমএস) পরীক্ষায় কত রোগই না ধরা পড়েছে। কে জানে কবে হাসিমুখে এই পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে হবে।”

এখন এইমসের বিশেষজ্ঞরা দাবি করছেন, কেআইএমএসের যে ডাক্তার সুনন্দাকে দেখেছিলেন, তিনি আদৌ কোনও বিশেষজ্ঞই নন। তাহলে কীভাবে তিনি সুনন্দাকে চিকিৎসাধীন না রেখে তিনি সুস্থ বলে ডিসচার্জ করলেন? সবমিলিয়ে কংগ্রেস সাংসদের স্ত্রীর মৃত্যুরহস্য এদিন নয়া মোড় নিল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.