৫ শ্রাবণ  ১৪২৬  রবিবার ২১ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করে সপ্তম দিনের মাথায় কলকাতায় আন্দোলনে ইতি টানেন জুনিয়র চিকিৎসকেরা। ধীরে ধীরে হাসপাতাল চত্বরে এমার্জেন্সি বিভাগে ভিড়ও বাড়ছে। তার মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে মঙ্গলবার সকালেই বড়সড় ধাক্কা খেল চিকিৎসকদের সর্ববৃহৎ সংগঠন, ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ)। শীর্ষ আদালত এদিন স্পষ্ট জানিয়ে দিল, ডাক্তারদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে সাধারণ মানুষকে অবহেলা করা যাবে না।

[আরও পড়ুন: দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের স্বীকৃতি, লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা হচ্ছেন অধীর]

দেশের আইন শৃঙ্খলার সঙ্গে কোনওরকম সমঝোতা বরদাস্ত করা হবে না। সেই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, আপাতত ধর্মঘট উঠে যাওয়ার কারণে জরুরিকালীন রায় দেওয়ার কোনও দরকার নেই। জুলাইয়ে যেমন রায় দেওয়ার কথা তেমনই হবে। রোগী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে কলকাতার এনআরএস হাসপাতালে জুনিয়র ডাক্তারদের মারধরের ঘটনায় সাতদিন ধরে স্তব্ধ হয়ে পড়েছিল পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য পরিষেবা। নিরাপত্তার দাবিতে ডাক্তারদের কর্মবিরতির আঁচ গিয়ে পড়েছিল বাইরের রাজ্যগুলিতেও। একে একে বিহার, দিল্লি, মুম্বইয়ের চিকিৎসকেরাও নিজেদের ক্ষোভ উগরে দেন। আন্দোলনে শামিল হয়েছিলেন এইমসের ডাক্তাররাও। গত ১৭ জুন ধর্মঘট ডাকে চিকিৎসক সংগঠন। পরে সেই ধর্মঘট প্রত্যাহার করে তারা। কলকাতার চিকিৎসকদের কথায়, “বাধ্য হয়ে, অনিচ্ছা সত্ত্বেও আন্দোলনে আমাদের যেতে হয়েছে। সাধারণ মানুষের খুব কষ্ট হচ্ছে, কিন্তু আমরা নিরুপায়। কাজে ফিরতে চাই। নির্ভয়ে কাজ করতে চাই। পরিবহ মুখোপাধ্যায়ের উপর হামলাকারীদের যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়।”

[আরও পড়ুন: বাবুল ও দেবশ্রীর শপথের সময় ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান, শুরুতেই বিতর্ক লোকসভায়]

এই সবের মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিল ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন। মামলাটি দায়ের করেন আইনজীবী অলোক শ্রীবাস্তব। আইএমএ-এর তরফে আরজি জানানো হয়, সুপ্রিম কোর্টের তরফে কেন্দ্রীয় সরকারকে দেশের চিকিৎসকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার ব্যাপারে শীঘ্রই কোনও নির্দেশ দেওয়া হোক। সোমবার সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। কিন্তু এদিন শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কোনও পরিস্থিতিতেই ডাক্তারদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে অবহেলা করা চলবে না। আইনকে বাজি রাখা যাবে না। মুমুর্ষু রোগীরা রাস্তায় পড়ে রয়েছে, বিনা চিকিৎসায় রোগীমৃত্যু হচ্ছে, তা কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। দেশের আইন শৃঙ্খলার সঙ্গে সমঝোতা অসম্ভব বলে জানিয়ে দেয় শীর্ষ আদালত। তাই এই মামলায় আদালতের পর্যবেক্ষণ, ‘ব্ল্যাঙ্কেট অর্ডার’ পাস করা এখনই যাবে না। বরং এই মামলায় দীর্ঘ আলোচনার পরই কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো হবে।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং