Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
B V Nagarathna

উদ্দেশ্য মহৎ হলেও সিদ্ধান্ত ‘বেআইনি’, নোট বাতিলে ভিন্ন সুর সুপ্রিম কোর্টের মহিলা বিচারপতির

'ক্ষমতার প্রয়োগ, আইনের পরিপন্থী', পর্যবেক্ষণ বিচারপতির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২৩, ১৪:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২৩, ১৪:০৩

options
link
উদ্দেশ্য মহৎ হলেও সিদ্ধান্ত ‘বেআইনি’, নোট বাতিলে ভিন্ন সুর সুপ্রিম কোর্টের মহিলা বিচারপতির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিচারপতি আবদুল নাজিরের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) সাংবিধানিক বেঞ্চে নোট বাতিলকে (Demonetisation) বৈধ বললেও ভিন্ন মন্তব্য করলেন বিচারপতি বি ভি নাগারত্না (B V Nagarathna)। তিনি এই সিদ্ধান্তকে ‘বেআইনি’ বললেন। তাঁর মতে, যে লক্ষ্যে নোটবন্দি করা হয়, তা আদৌ পূরণ হয়নি। যদিও সাংবিধানিক বেঞ্চের বাকি চার বিচারপতি নাগারত্নার সঙ্গে একমত হননি।

২০২২ সালের অক্টোবর মাস থেকে নোট বাতিলের মামলা চলছে বিচারপতি আবদুল নাজিরের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে। অন্য চার বিচারপতিরা হলেন বি আর গাভাই, বিচারপতি এএ স বোপান্না, বিচারপতি ভি সুব্রহ্মণ্যম এবং বিচারপতি বি ভি নাগারত্না। বিচারপতি নাগারত্না একমত হননি বাকিদের সঙ্গে। তাঁর মতে, ৬ বছর আগের ওই সিদ্ধান্ত ছিল ‘বেআইনি’। বিচারপতি নাগারত্না বলেন, “আমার চোখে নভেম্বরের ৮ তারিখে নোট বাতিলের ঘোষণা ছিল বেআইনি। তবে ২০১৬ সালের সিদ্ধান্তকে এখন আর বাতিল করা সম্ভব নয়।” যোগ করেন, এটা “ক্ষমতার প্রয়োগ, আইনের পরিপন্থী। তাই বেআইনি।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: মোদির নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত আইনত বৈধ, রায় সুপ্রিম কোর্টের]

বিচারপতি নাগারত্না আরও বলেন, “কালো টাকা উদ্ধার, সন্ত্রাসবাদে কালো টাকার ব্যবহার রোখা ইত্যাদি মহৎ কারণে নোটবন্দি করা হয়। এর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠছে না। কিন্তু আইনগত দিক থেকে দেখতে গেলে সিদ্ধান্তটি ছিল অবৈধ।” বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আরবিআই-এর আইন অনুযায়ী নোটবন্দির সিদ্ধান্ত নিয়ে রিজার্ভ ব্যাংকেরই সরকারকে পরামর্শ দেওয়ার কথা। কিন্তু সরকারই ২০১৬ সালের ৭ নভেম্বর চিঠি দিয়ে রিজার্ভ ব্যাংককে নোটবন্দির বিষয়ে জানায়। বিচারপতি নাগারত্ন পর্যবেক্ষণ, নোট বাতিল সংসদীয় প্রক্রিয়ায় হওয়া উচিত ছিল, একা কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে নয়।

[আরও পড়ুন: বছরের শুরুতেই জোড়া জঙ্গি হামলায় রক্তাক্ত কাশ্মীর, প্রাণ হারালেন ৪ হিন্দু নাগরিক]

প্রসঙ্গত, নোট বাতিল নিয়ে ৫৮টি মামলা চলছিল সুপ্রিম কোর্টে। এদিন তার রায় দেয় শীর্ষ আদালত। পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক জানায়, নোট বাতিলের সিদ্ধান্তে আইনত বৈধ ছিল। আরও বলা হয় রিজার্ভ ব্যাংকের সঙ্গে ছ’মাস ধরে আলোচনার পরেই নোটবন্দির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্র। এইসঙ্গে এদিন নোটবন্দী বিরোধি যাবতীয় মামলা খারিজ করে শীর্ষ আদালত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.