ইপিএফও এবং আইটিআর রেকর্ডের সংবেদনশীল তথ্য বেসরকারি সংস্থাগুলির নাগালে চলে আসছে। বিষয়টি অত্যন্ত ‘উদ্বেগজনক’। এবং এই ধরনের তথ্যের যাতে অপব্যবহার না হয় তা নিশ্চিত করার জন্য সুরক্ষা কঠোর করার বিষয়টি বিবেচনা করা প্রয়োজন। এমনই পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের।
শীর্ষ আদালতে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তর নেতৃত্বাধীন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি ও ভি মোহনাকে নিয়ে গঠিত একটি বেঞ্চ প্রভিডেন্ট ফান্ড ও আয়কর রেকর্ডে থাকা সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ, পুনরুদ্ধার এবং যাচাই করার অভিযোগে একটি বাণিজ্যিক প্রযুক্তি সংস্থার উত্থান নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করেছে। পীযূষ শর্মার দায়ের করা একটি জনস্বার্থ মামলা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানালেও প্রধান বিচারপতি পরামর্শ দিয়েছেন যে, সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় কেন্দ্র যেন এই সমস্যা সমাধানের জন্য একটি কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
আরও পড়ুন:
জনস্বার্থ মামলাটিতে এই উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে যে, আইনগত বাধ্যবাধকতার অধীনে সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে সরবরাহ করা ব্যক্তিগত তথ্য বেসরকারি সংস্থাগুলি সংগ্রহ করছে এবং বাণিজ্যিকভাবে তা ব্যবহার করছে। জনস্বার্থ মামলার আবেদনকারীর দাবি ইপিএফও বা আইটিআরের ক্ষেত্রে ওটিপি তৈরি, সুস্পষ্ট সম্মতি গ্রহণ বা কোনও অনুমোদন-ভিত্তিক পরিচয় যাচাই অন্তর্ভুক্ত ছিল না। এখন সেটা নতুন করে করা হচ্ছে। যাতে বেসরকারি হাতে ব্যক্তিগত তথ্য চলে যাচ্ছে। পুরো বিষয়টি উদ্বেগজনক।
সুপ্রিম বেঞ্চ জানিয়েছে, বিষয়টি মূলত নীতি নির্ধারণের আওতাধীন, তবে সার্বভৌম তথ্যে ব্যক্তিগত প্রবেশাধিকার, আইনের নির্দেশে ব্যক্তি কর্তৃক সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া ব্যক্তিগত তথ্য এবং পরবর্তীকালে এর বাণিজ্যিক অপব্যবহারের সম্ভাবনাকে ‘উদ্বেগজনক’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বিজেপি ও তৃণমূল নেতা ‘মাসতুতো ভাই’, সুকান্তকে নিশানা করে শোকজ গঙ্গারামপুরের বিধায়ক
-
বারাসত বিশ্ববিদ্যালয়ে টিএমসিপির ‘জঙ্গিপনা’, পড়ুয়াদের হস্টেল ছাড়ার নির্দেশ উপাচার্যের
-
সুযোগ পেয়েও এশিয়াডে খেলতে পারবেন না ভারতের সব অ্যাথলিট-সাপোর্ট স্টাফ! জাপানের সিদ্ধান্তে প্রশ্ন
-
বাস পিছু প্রতিদিন ৩০০ টাকা তোলাবাজি ‘বিএমএসের’, ‘কাউকে রেয়াত নয়’, কড়া বার্তা শুভেন্দুর মন্ত্রীর
-
রংপুরে খুন হিন্দু পরিবারের ৪ সদস্য, বাংলাদেশে ছয় মাসে ১৮ ‘মাস কিলিং’, উদ্বিগ্ন বিশেষজ্ঞরা