Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
CAA Hearing Case

মোদি সরকারের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বৈধ? মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্ট

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ)-এর বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া একাধিক আবেদনের শুনানিতে রাজি হল সুপ্রিম কোর্ট। ২০১৯ সালে সংসদে এই সংশোধনী পাশ করে নরেন্দ্র মোদির সরকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ১৪:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ১৪:২৫

options
link
মোদি সরকারের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বৈধ? মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্ট zoom
ফাইল ছবি।

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ)-এর বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া একাধিক আবেদনের শুনানিতে রাজি হল সুপ্রিম কোর্ট। ২০১৯ সালে সংসদে এই সংশোধনী পাশ করে নরেন্দ্র মোদির সরকার। পরবর্তী সময়ে এই আইনের বিরুদ্ধে একাধিক আবেদন জমা পড়ে। সে সব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে শীর্ষ আদালত। সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, শুনানি শুরু হবে ৫ মে থেকে।

নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল সংসদে পাশ হওয়ার পরেই দেশ জুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। তার মাঝেই ২০১৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর এই সংশোধনীর বিরুদ্ধে মামলার (CAA Hearing Case) প্রথম শুনানি হয় সুপ্রিম কোর্টে। পরে ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতির সইয়ের পর বিলটি আইনে পরিণত হয়। সিএএ-তে বলা হয়েছে, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্শি ও খ্রিস্টান শরণার্থীরা ভারতের নাগরিকত্ব নিতে পারবেন। তবে তাঁদের ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর বা তার আগে ভারতে আসতে হবে। তবে পাকিস্তান-বাংলাদেশে নির্যাতিত আহমদিয়া মুসলিম (সংশ্লিষ্ট দেশগুলিতে যাঁদের ‘কাদিয়ানি’ নামে অবমাননাকর শব্দে চিহ্নিত করা হয়) কিংবা মায়ানমার থেকে চলে আসা রোহিঙ্গা মুসলিম শরণার্থীদের কথা নেই সিএএ-তে। এমনকি নেই বৌদ্ধ রাষ্ট্র শ্রীলঙ্কায় নির্যাতিত হিন্দু ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী তামিলদের নাগরিকত্ব দানের কথাও।

Advertisement

এই বিষয়টি নিয়েই আপত্তি তুলেছিলেন অনেকে। তাঁদের বক্তব্য, জীবনযাপনের অধিকার, ধর্ম কিংবা জাতি, লিঙ্গ, জন্মস্থানের ভিত্তিতে বৈষম্য না করার সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, আইনটি নাগরিকদের স্বাধীনতার অধিকারকেও খর্ব করছে।

সুপ্রিম কোর্ট সিএএ নিয়ে কেন্দ্রকে আগেও নোটিস জারি করেছিল। ২০২০ সালের মার্চে মোদি সরকার শীর্ষ আদালতে হলফনামা দিয়ে জানায়, সিএএ কোনও নাগরিকের মৌলিক অধিকারকে হরণ করছে না। এবং সাংবিধানিক নৈতিকতা লঙ্ঘনেরও প্রশ্ন নেই। ফলে আইনটি বৈধ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.