Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
PM Narendra Modi

বিশ্বাসঘাতক, পরজীবী! তামিলনাড়ুতে ডিএমকে-র সঙ্গ ছাড়তেই কংগ্রেসকে তোপ মোদির

রবিবার তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন বিজয়। তাঁকে অভিনন্দন জানান মোদি। এরপরই প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেসকে তোপ দাগেন। তিনি বলেন, “তামিলনাড়ুর বর্তমান পরিস্থিতির দিকে নজর দিন। ২৫-৩০ বছর ধরে কংগ্রেসের সঙ্গে ডিএমকে-র ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। ডিএমকে-র সঙ্গে জোটই কংগ্রেসকে সংকট বারবার থেকে বের করে এনেছে।”

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০২৬, ১৪:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০২৬, ১৪:২৬

options
link
বিশ্বাসঘাতক, পরজীবী! তামিলনাড়ুতে ডিএমকে-র সঙ্গ ছাড়তেই কংগ্রেসকে তোপ মোদির zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

তামিলনাড়ুতে ডিএমকে-র জোট ছেড়ে থলপতি বিজয়ের টিভিকে-র সঙ্গে যোগ দিয়েছে কংগ্রেস। এর জেরে হাত শিবিরকে আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বললেন, “কংগ্রেস একটা বিশ্বাসঘাতক, পরজীবী দল।” 

রবিবার তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন বিজয়। তাঁকে অভিনন্দন জানান মোদি। এরপরই প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেসকে তোপ দাগেন। তিনি বলেন, “তামিলনাড়ুর বর্তমান পরিস্থিতির দিকে নজর দিন। ২৫-৩০ বছর ধরে কংগ্রেসের সঙ্গে ডিএমকে-র ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। ডিএমকে-র সঙ্গে জোটই কংগ্রেসকে সংকট বারবার থেকে বের করে এনেছে।” মোদি আরও বলেন, “২০০৪ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত কেন্দ্রে ক্ষমতায় ছিল কংগ্রেস সরকার। কিন্তু মূলত ডিএমকে-র জন্যই সেই সরকারটি টিকে ছিল। ডিএমকে ধারাবাহিকভাবে কংগ্রেসের উন্নতির জন্য কাজ করে গিয়েছিল। কিন্তু এখন রাজনৈতিক হাওয়া বদলানোর মুহূর্তেই সেই ডিএমকে-র সঙ্গেই বিশ্বাসঘাতকতা করল হাত শিবির।” মোদির কথায়, “ক্ষমতালোভী কংগ্রেস সুযোগ বুঝেই ডিএমকে-র পিঠে ছুরি মেরেছে। এখন রাজনৈতিকভাবে প্রাসঙ্গিক থাকার জন্য কংগ্রেসের আরও একটি দল প্রয়োজন, তাই জন্যই তারা টিভিকে-কে বেছে নিয়েছে।”

Advertisement

রবিবার বিজয়ের সঙ্গেই শপথ নিয়েছেন আরও ন’জন। সূত্রের খবর, তাঁরা মন্ত্রী হবেন। কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণভাবে সেই তালিকায় কংগ্রেসের কোনও বিধায়ক নেই। এদিকে সংখ্যাগরিষ্ঠতার সময় বিজয়ের টিভিকে-র সমর্থনে প্রথম এগিয়ে আসে কংগ্রেস। সূত্রের দাবি, কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ব্যক্তিগতভাবেও বিজয়ের রাজনৈতিক উত্থানের উপর যথেষ্ট আস্থা রেখেছেন। শুধু তা-ই নয়, সূত্রের খবর, নির্বাচনী প্রচারের সময় কংগ্রেস না কি ডিএমকে-র ডাকা একাধিক বৈঠকেও অংশ নেয়নি, যাতে স্পষ্ট কোন্দল আগে থেকেই তৈরি হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেসকে আবার যদি নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান না দেন বিজয়, তাহলে দ্রাবিড়ভূমের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ দেখা দিতে পারে বলেই মত রাজনৈতিক মহলের একাংশের।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.