Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১১ জুন ২০২৬
anti-beef protesters Guwahati Zoo beef

মাংসাশী প্রাণীদের গোমাংস খাওয়ানো যাবে না, চিড়িয়াখানার সামনে বিক্ষোভ হিন্দুত্ববাদীদের

গোমাংসের বদলে মাংসাশী প্রাণীদের সম্বর হরিণ খাওয়ানোর নিদান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৩, ২০২০, ০৯:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৩, ২০২০, ০৯:০৭

options
link
মাংসাশী প্রাণীদের গোমাংস খাওয়ানো যাবে না, চিড়িয়াখানার সামনে বিক্ষোভ হিন্দুত্ববাদীদের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবার গোমাংস নিয়ে আন্দোলনের আঁচ পৌঁছল অসমের গুয়াহাটি চিড়িয়াখানাতেও। সেখানে থাকা মাংসাশী প্রাণীদের গরুর মাংস খেতে দেওয়া নিয়ে সরব হিন্দুত্ববাদী নেতা সত্যরঞ্জন বোরা (Satya Ranjan Borah)। তাঁর নেতৃত্বে চিড়িয়াখানার সামনে বিক্ষোভও দেখান বেশ কয়েকজন। গোমাংস খেতে দেওয়া বন্ধ করার দাবিতে স্লোগানও দিতে থাকেন তাঁরা। পরে যদিও পুলিশের তৎপরতায় বিক্ষোভ সামাল দেয় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।

হিন্দুত্ববাদী নেতা সত্যরঞ্জন বোরা বলেন, “হিন্দু সমাজে আমরা গোমাতার সুরক্ষার দিকে বিশেষ নজর দিই। কিন্তু গুয়াহাটি চিড়িয়াখানায় মাংসাশী প্রাণীদের খাবার হিসাবে গোমাংস (Beef) দেওয়া হচ্ছে। কেনও গোমাংস দেওয়া হচ্ছে? অন্যান্য ধরনের মাংসও তো দেওয়া যেতে পারে।” গোমাংসের পরিবর্তে অন্য কোন ধরনের খাবার চিড়িয়াখানার মাংসাশী প্রাণীদের দেওয়া যায়, সে সমাধানও বাতলে দিয়েছেন বোরা। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “গুয়াহাটি চিড়িয়াখানায় প্রচুর সংখ্যক সম্বর হরিণ রয়েছে। জন্মনিয়ন্ত্রণ করতে বাধ্য হয়ে পুরুষ সম্বর হরিণদের আলাদা রাখা হয়। তাই অনায়াসেই চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ সম্বর হরিণ মাংসাশীদের খাবার হিসাবে দিতে পারে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: বিহারে ফের হাসতে হাসতে ক্ষমতায় আসতে পারেন নীতীশ কুমার! ইঙ্গিত জনমত সমীক্ষায়]

এই ঘটনায় অত্যন্ত বিরক্ত চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। অসমের বনদপ্তরের সচিব তেজস মরিস্বামী রীতিমতো অবাক। তিনি বলেন, “মাংস বহনকারী একটি গাড়িকে রাস্তায় আটকে দেন হিন্দুত্ববাদীরা। চিড়িয়াখানায় থাকা প্রাণীদের কী খাওয়ানো হবে তা স্থির করে কেন্দ্র। তাই আমাদের কিছুই করার নেই। আর সম্বর হরিণ হত্যা করে মাংসাশী প্রাণীদের খাবার হিসাবে পরিবেশন করা সম্পূর্ণ বেআইনি।” অসমের বনমন্ত্রী পরিমল শুক্লাবৈদ্যও হিন্দুত্ববাদীদের দাবির সম্পূর্ণ বিরোধিতা করেছেন। তাঁর দাবি, চিড়িয়াখানায় থাকা মাংসাশী প্রাণীদের সুষম পুষ্টির জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন গোমাংস। অনেক চিড়িয়াখানায় মোষের মাংস দেওয়া হয়। তবে তা আমাদের কাছে নেই। তা কেন্দ্রের নির্দেশে গোমাংসই খাওয়ানো হয় প্রাণীদের।

গোমাংস নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। গোমাংস নিয়ে প্রতিবাদ করে বহুবারই শিরোনামে জায়গা করে নিয়েছেন হিন্দুত্ববাদীরা। কখনও ব্যবসায়ীকে মারধর, বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে আকছার। তবে তার আঁচ যে গুয়াহাটি চিড়িয়াখানার (Guwahati Zoo) মাংসাশী প্রাণীদের খাদ্যতালিকাতেও পড়তে পারে, তা বোধহয় ভাবতে পারেননি অনেকেই।

[আরও পড়ুন: ছিল পরিত্যক্ত রেলের কামরা, বদলে গেল সুন্দর ক্লাসরুমে, প্রশংসায় পঞ্চমুখ নেটিজেনরা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.