Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Maulana Abul Kalam Azad

আবুল কালাম আজাদের মধ্যে ‘ভারতীয়ত্ব’ ছিল না! বিজেপি নেতার মন্তব্যে বিতর্কের ঝড়

এমন মন্তব্যকে ‘হাস্যকর ও অযৌক্তিক’ বলে কটাক্ষ কংগ্রেসের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৫, ২০২০, ২১:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৫, ২০২০, ২১:০২

options
link
আবুল কালাম আজাদের মধ্যে ‘ভারতীয়ত্ব’ ছিল না! বিজেপি নেতার মন্তব্যে বিতর্কের ঝড় zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ ফের গেরুয়া শিবিরের নেতার মুখে ‘ভারতীয়ত্ব’ ইস্যু। এবার মৌলানা আবুল কালাম আজাদ (Maulana Abul Kalam Azad)। দেশের প্রথম শিক্ষামন্ত্রীর মধ্যে কোনও ভারতীয়ত্ব ছিল না। এমনই মন্তব্য শোনা গেল উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) বিজেপি (BJP) নেতা ও মন্ত্রী আনন্দ স্বরূপ শুক্লার মুখে। তাঁর এমন দাবি ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই দানা বেঁধেছে বিতর্ক।

ঠিক কী বলেছেন তিনি? বাল্লিয়ায় এক সভায় তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘‘আমার বলতে কোনও দ্বিধা নেই, আবুল কালাম আজাদের হৃদয়ে ‘ভারত’ বা ‘ভারতীয়ত্ব’ কোনওটাই ছিল না।’’ কেন তাঁর এমন মনে হল? আনন্দ স্বরূপ সেকথা বলতে গিয়ে টেনে এনেছেন ইতিহাসের প্রসঙ্গ। তাঁর কথায়, ‘‘ঔরঙ্গজেবের হাত থেকে নিজেদের বাঁচাতে কাশ্মীরি পণ্ডিতরা গুরু তেগবাহাদুরের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। ওঁদের জোর করে ইসলামে ধর্মান্তরিত করা হচ্ছিল। গুরু এর প্রতিবাদ করতে যাওয়ায় তাঁর মাথা কেটে নিয়েছিলেন ঔরঙ্গজেব। এই সব সত্যি ঘটনা ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা হয়েছে। আর তা স্পষ্টতই হয়েছে প্রথম শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে। কেবলই আকবরকে মহান দেখানো হয়েছে। অথচ আইন-ই-আকবরি বা ঐতিহাসিকরা কেউই ওঁকে মহান বলেননি।’’

Advertisement

[আরও পড়ুন: কমল সম্পত্তি, বিশ্বের শীর্ষ দশ ধনকুবেরের তালিকায় আর ন‌েই মুকেশ আম্বানির নাম]

স্বাভাবিক ভাবেই এমন মন্তব্যকে ভালভাবে নিচ্ছে না কংগ্রেস। তাদের তরফে এমন মন্তব্যকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের কংগ্রেস মুখপাত্র অশোক সিং আনন্দ স্বরূপের এমন মন্তব্যকে ‘হাস্যকর ও অযৌক্তিক’ বলে জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, ‘‘আবুল কালাম আজাদ এক শক্তিশালী শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে শক্তিশালী ভারতের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। দেশের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে তিনি মেয়েদের ও গ্রামের গরিবদের শিক্ষার উপরে জোর দিয়েছিলেন।’’

প্রসঙ্গত, গত শতকের দুইয়ের দশকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নেতা হিসেবে উঠে আসেন মৌলানা আবুল কালাম আজাদ। ১৯২৩ সালে মাত্র ৩৫ বছর বয়সে কংগ্রেসের সভাপতি হয়েছিলেন তিনি। পাকিস্তান তৈরি হওয়ার অন্যতম বিরোধী এই নেতা বরাবরই ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে সওয়াল করে গিয়েছেন।

[আরও পড়ুন: ‘রাজনৈতিক স্বার্থে কৃষকদের ক্ষতি করবেন না’, মেগা শো থেকে বিরোধীদের তুলোধোনা মোদির]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.