সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার (Corona Virus) টিকার হাহাকার চলছে প্রায় গোটা দেশজুড়ে।করোনার দ্বিতীয় ঢেউ যত আছড়ে পড়ছে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বেহাল দশা আরও প্রকট হচ্ছে জায়গায় জায়গায়। এমন অবস্থায় যেটুকু টিকা, ওষুধ, অক্সিজেন উৎপাদন হচ্ছে, তা নিয়েও আবার কালোবাজারি শুরু হয়ে গিয়েছে অনেক জায়গায়। দিকে দিকে যখন এই অব্যবস্থা তখন এক সরকারি জেলা হাসপাতালের পুরো টিকার ভাণ্ডার খালি করে দিল চোরের দল। হরিয়ানার জিন্দ জেলার ঘটনা।
জিন্দের পিপি সেন্টার জেনারেল হাসপাতালের স্টোর রুমে রাখা ছিল ১ হাজার ৭১০টি টিকার ডোজ। তাতে কোভ্যাক্সিন এবং কোভিশিল্ড দু’ রকম টিকাই ছিল। বৃহস্পতিবার হাসপাতালের স্টোর রুম খুলে দেখা যায় সেখানে একটি টিকার ভায়ালও নেই। স্টোর রুমের দরজা ভেঙে শুধু টিকাগুলিই চুরি করে নিয়ে গিয়েছে চোরেরা। ফলে জিন্দের গোটা জেলায় হাসপাতালে সরবরাহ করার মতো টিকা নেই এই মুহূর্তে।
[আরও পড়ুন: রাজ্যে সবাইকে বিনা পয়সায় ভ্যাকসিন, তপনের সভা থেকে ঘোষণা মমতার]
স্টোর রুমে বাকি ওষুধ বা অন্য চিকিৎসার উপকরণ যা ছিল, সেখানে সে সবে হাত দেওয়া হয়নি। যেমন ছিল সেগুলি, ঠিক তেমনই রয়েছে। শুধু বেছে বেছে টিকাগুলি নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ফলে মনে করা হচ্ছে চোরেরা নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এসেছিল। তাই ‘মহার্ঘ্য’ টিকাগুলিই নিয়ে পালায় তারা।
চুরির ঘটনা সামনে আসতেই হাসপাতালের তরফে পুলিশে অভিযোগ জানানো হয়। জানা গিয়েছে, হাসপাতালের ওই স্টোর রুমের আশপাশে কোনও সিসিটিভি ক্যামেরা নেই। এমনকী স্টোর রুমে কোনও নিরাপত্তা রক্ষীর ব্যবস্থাও করা হয়নি। পুলিশ একটি মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে। আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে চুরির কিনারা করার চেষ্ট চলছে।
[আরও পড়ুন: ভয়াবহ সংকটের মধ্যেও দেশের অক্সিজেন রপ্তানি বেড়েছে ৭০০ শতাংশ!]
যে রাজ্যগুলি সব থেকে বেশি টিকা নষ্ট করছে সেই তালিকায় শীর্ষে থাকা পাঞ্জাবের পরেই রয়েছে হরিয়ানা।
সর্বশেষ খবর
-
চোখের জলে মাঠ ছাড়েন রোনাল্ডো! ১৬ হলুদ, ৪ লাল কার্ডে ভরা বিশ্বকাপের সবচেয়ে ‘নোংরা’ ম্যাচ
-
বাড়িতেই রেস্তরাঁর মতো খাবার বানানোর আবদার? সহজ টিপস মেনে চললেই কেল্লাফতে
-
‘মমতার এপাং-ওপাং-ঝপাং নয়, গ্রন্থাগারে থাকবে রাষ্ট্রবাদী চেতনার বই’, পরিকল্পনা মন্ত্রী গৌরীশংকরের
-
‘মানব ঢাল তৈরি করুন’, ভারতের ‘পুশ ইনে’র প্রতিবাদে সীমান্তবর্তী জেলায় মহামিছিলের ডাক জামাতের
-
এভারেস্টে ভয়ঙ্কর ভিড়, ‘ট্রাফিক জ্যামে’ বিরক্ত শেরপারা, ৭ হাজার মিটার উঁচুতেও বইছে জলের স্রোত