সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্কঃ দেশের প্রধানমন্ত্রী বলে কথা। তাঁর জন্য প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কত উপহারই তো আসে। নেহাতই ছেলের আবদার। তাই নিজের হাতে বাতিল জিনিস দিয়ে একটি ঝুড়ি তৈরি করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উপহার পাঠিয়েছিলেন তিনিও। কিন্তু সেই সামান্য উপহারও যে প্রধানমন্ত্রীর নজরে কাড়বে, প্রাপ্তিস্বীকার করাই শুধু নয়, রীতিমতো উৎসাহ দিয়ে চিঠি পাঠাবেন খোদ প্রধানমন্ত্রী, এমনটা স্বপ্নেও ভাবেননি বিহারের বাসিন্দা গীতা দেবী। কিন্তু বাস্তবে ঠিক সেটাই ঘটল।
বিহারের সমস্তিপুরের একেবারেই সাদামাঠা গৃহবধূ বছর পঞ্চাশের গীতা দেবী। স্কুলের চৌকাঠও মাড়াননি। তবে দীর্ঘদিন ধরেই সংসারের বিভিন্ন বাতিল জিনিস দিয়ে ঝুড়ি, ফুলদানির মতো সামগ্রী তৈরি করে আসছেন। মায়ের এই কাজ নজরে পড়ে গীতাদেবীর ছেলে মনোজ কুমারের। গীতাদেবীকে এইসব সামগ্রী প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পার্সেল করে পাঠাতে বলেন তিনি। প্রথমে সেইভাবে পাত্তা না দিলেও, শেষপর্যন্ত ছেলের উৎসাহেই গত মাসে বাতিল সামগ্রী দিয়ে একটি ঝুড়ি তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠান গীতাদেবী। সম্প্রতি প্রধান দপ্তর থেকে গীতাদেবীর কাছে একটি চিঠি এসেছে। চিঠিতে শুধু প্রাপ্তিস্বীকার করাই নয়, তাঁর হাতে কাজের ভুয়সী প্রশংসা করেছেন মোদি। চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ‘প্লাস্টিকের বাতিল জিনিস দিয়ে এইরকম সুন্দর সামগ্রী তৈরি করার ভাবনাটি অসাধারণ। এই কাজ একদিকে যেমন স্বচ্ছ ভারত মিশনের পক্ষে সহায়ক হবে, তেমনি এর থেকে ছোটখাটো শিল্পও গড়ে উঠতে পারে।’
এতদিন নেহাতই শখে প্লাস্টিকের বাতিল সামগ্রী দিয়ে নানা জিনিস তৈরি করতেন গীতাদেবী। কিন্তু, এখন খোদ প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে উৎসাহ পাওয়ার পর বাণিজ্যিকভাবে এই সামগ্রী তৈরি করার কথা ভাবছেন গীতাদেবী। গীতাদেবীর স্বামী বলেন, ‘স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী যখন বলেছে, তখন আমাদেরও মনে হয়, বিষয়টি করা যেতে পারে। তবে ব্যবসা করার মতো টাকা আমাদের নেই। যদি কোনও ঋণ পাই, তাহলে আমরা এই সামগ্রী নিয়ে ব্যবসা করতেই পারি।’
সর্বশেষ খবর
-
নকশাল নেতা সরোজ দত্তর এনকাউন্টার দেখেছিলেন উত্তমকুমার! ন্যায়-প্রশ্নে বরাবরই বিদ্ধ পুলিশ
-
অসময়ে রথযাত্রা উদযাপন! ওড়িশা থেকে ইসকনের উৎখাত চেয়ে বিক্ষোভ কলিঙ্গ সেনার
-
সরকারি নির্দেশ অমান্য করে হকার উচ্ছেদ! আসানসোলের ৩ আধিকারিককে শোকজ
-
ঝাড়গ্রামে হাতির পাল, বন দপ্তরের কর্মীদের উপর হামলা! উলটে ফেলা হল গাড়ি
-
যত নষ্টের গোড়া আইপ্যাক! ঋতপন্থী তৃণমূলে জেলা সভাপতির দায়িত্ব পেয়েই বিস্ফোরক অনুব্রত