Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Kanpur perfume trader

কানপুরে ব্যবসায়ীর বাড়িতে আয়কর হানায় উদ্ধার রাশি রাশি টাকা, ২৪ ঘণ্টা ধরে গুনলেন আধিকারিকরা

শেষ পর্যন্ত কত টাকা উদ্ধার হল?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৪, ২০২১, ১৭:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৪, ২০২১, ১৭:০১

options
link
কানপুরে ব্যবসায়ীর বাড়িতে আয়কর হানায় উদ্ধার রাশি রাশি টাকা, ২৪ ঘণ্টা ধরে গুনলেন আধিকারিকরা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চারিদিকে শুধু নোটের বান্ডিল। সারি সারি গয়না। আয়কর বিভাগের (Income Tax) কর্মীরা টাকা গুনছেন টাকারই স্তুপে বসে। ভাবছেন বলিউডের কোনও বিখ্যাত ছবির চিত্রনাট্য? ভুল ভাবছেন। সত্যিই এই ঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের কানপুরে। যেখানে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে আয়কর হানায় উঠে এসেছে এমনই সব ছবি। পীযূষ জৈন (Piyush Jain) নামের ওই ব্যবসয়ীর বাড়িতে এত নগদ উদ্ধার হয়েছে, যে গুনতে রীতিমতো হিমশিম খেলেন আয়কর বিভাগের কর্মীরা।

কানপুরের পীযূষ জৈন বিভিন্ন রকম ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। তাঁর বিরুদ্ধে বিস্তর বেনিয়মের অভিযোগ আছে। সেইসব অভিযোগের সূত্র ধরেই বৃহস্পতিবার রাতে ইডি এবং আয়কর বিভাগের আধিকারিকরা যৌথভাবে হানা দেন পীযুষের বাড়িতে। সেই সঙ্গে হানা দেওয়া হয় পীযুষের কয়েকটি অফিসেও। আয়কর (IT) এবং ইডি (ED) আধিকারিকদের যৌথ অভিযানে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হয়। বৃহস্পতিবার রাতে তল্লাশি শুরু হয়ে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত চলেছে সেই টাকা গোনার কাজ। শেষ খবর পাওয়া অনুযায়ী, ওই ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে স্রেফ নগদ উদ্ধার হয়েছে দেড়শো কোটি টাকার।

[আরও পড়ুন: হরিদ্বারের ধর্মসভায় সংখ্যালঘুদের খুনের হুমকি! বক্তাদের শাস্তির দাবিতে কমিশনকে চিঠি তৃণমূলের]

আয়কর বিভাগের প্রকাশ করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে, আধিকারিকরা টাকার স্তুপে বসেই টাকা গুনছেন। তাদের সামনেও রয়েছে প্রচুর টাকার বান্ডিল। যেদিকে তাকানো যায়, সেদিকেই টাকার গদি। পীযূষের বাড়ির আলমারিতেও টাকা ভরতি। সেগুলি রাখা হয়েছে ছোট ছোট বাক্সে, হলুদ টেপ দিয়ে। টাকার পাশাপাশি প্রচুর জমির দলিল এবং গয়না উদ্ধার হয়েছে বলে আয়কর বিভাগ সূত্রের খবর।

[আরও পড়ুন: ছত্তিশগড়ের পুরভোটেও বড় ধাক্কা বিজেপির, জিতল কংগ্রেস]

প্রসঙ্গত, পীযূষ জৈন নামের ওই ব্যক্তি মূলত সুগন্ধীর ব্যবসায়ী। এছাড়াও তাঁর কোল্ড স্টোর, একাধিক পেট্রল পাম্প এবং একাধিক গুটকা তৈরির কারখানাও আছে। বেনামি সম্পত্তি, ভুয়ো ইনভয়েস দিয়ে জিনিস পাঠানো, ই-ওয়ে বিল ছাড়া জিনিস পাঠানো এবং হিসাব বহির্ভূত টাকা রাখার মতো অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.