Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
জঙ্গি নাশকতা

রাজধানীতে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল, পুলিশের জালে তিন আইএস জঙ্গি

ধৃতদের থেকে উদ্ধার হয়েছে উন্নত মানের বিস্ফোরক আইইডি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৫, ২০১৯, ১৮:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৫, ২০১৯, ১৮:২০

options
link
রাজধানীতে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল, পুলিশের জালে তিন আইএস জঙ্গি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগ ও পুলিশের তৎপরতায় বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল করা সম্ভব হল। রাজধানী দিল্লিতে জঙ্গি হানার ছক কষেছিল তিন সন্ত্রাসবাদী। সোমবার সন্দেহভাজন ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করল দিল্লি পুলিশ।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, তিনজনই ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সঙ্গে যুক্ত অথবা তাদের দ্বারা প্রভাবিত। অসমের গোয়ালপাড়া থেকে এদিন তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তিন জঙ্গির নাম মুকাদ্দাস ইসলাম, রঞ্জিত আলি এবং লুইস জামিল জামাল। তাদের কাছ থেকে বোমা তৈরির সরঞ্জাম এবং উন্নত মানের বিস্ফোরক আইইডি উদ্ধার করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল সেলের ডিসিপি প্রমোদ কুশওয়াহা এ খবর নিশ্চিত করে জানান, বড়সড় সন্ত্রাস হামলার ছক বানচাল করা সম্ভব হয়েছে। তিনজনের কাছ থেকে যে আইইডি পাওয়া গিয়েছে, তা দিয়ে বড় মাপের বিস্ফোরণ ঘটতে পারত। এর আগে ওই তিনজনকে বোমার তৈরির সরঞ্জাম নিয়ে যেতে দেখা গিয়েছিল। তখন থেকেই তাদের উপর নজরদারি চালানো হয়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: স্থগিত সিবিআইয়ের করা আবেদনের শুনানি, চিটফান্ড মামলায় স্বস্তি রাজীব কুমারের]

এদিন অসমের গোয়ালপাড়ায় একটি মেলায় বিস্ফোরণ ঘটানোর ছক ছিল তাদের। সেটা হত দিল্লি হামলার মহড়া। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলেই সন্ত্রাসের শিকার হত রাজধানী। কিন্তু পুলিশি তৎপরতায় গোটা বিষয়টি রুখে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। তিনজনকে দশদিনের জন্য রিমান্ডে নিয়েছে অসম পুলিশ। নাশকতার ছক কতদূর পর্যন্ত বিস্তৃত, এই হামলার পরিকল্পনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কিনা, তা ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানান চেষ্টা করা হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্র বিতর্কে তীব্র বাদানুবাদ সুপ্রিম কোর্টে, ফের পিছিয়ে গেল রায়দান]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.