আরও ভাঙন তৃণমূলে! দিল্লিতে বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে বৈঠকে তৃণমূলের আরও ৪ সাংসদ (TMC MPs Meeting)। তাৎপর্যপূর্ণভাবে ওই বৈঠকে ছিলেন সায়নী ঘোষ, মালা রায়-সহ আরও দুজন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) উপস্থিতিতেই এই বৈঠক হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এরপরেই জল্পনা ছড়িয়েছে, মালা রায়-সায়নী ঘোষদের তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরে যাওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা? যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কেউ কোনও মন্তব্য করেননি। তবে একদিকে যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার নিয়ে উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি, ঠিক সেই সময়ে দিল্লিতে এই বৈঠক খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
এই বিষয়ে আরও খবর
তাৎপর্যপূর্ণভাবে ওই বৈঠকে ছিলেন সায়নী ঘোষ, মালা রায়-সহ আরও দুজন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতেই এই বৈঠক হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এরপরেই জল্পনা ছড়িয়েছে, মালা রায়-সায়নী ঘোষদের তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরে যাওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা?
গত সোমবার তৃণমূল সাংসদদের একটা বড় অংশ দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে গিয়ে বৈঠক করেন। শতাব্দী রায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদারদের নেতৃত্বে সেদিনই তৈরি হয় বিদ্রোহী ব্লক। বিদ্রোহী শিবিরের দাবি, তাঁদের হাতে সাংসদ সংখ্যা কুড়ির বেশি। সেদিন নাকি ১৬ জন তৃণমূল সাংসদ সেখানে উপস্থিত ছিলেন। আরও দু’জন সেদিনের বৈঠকে ভারচুয়ালি ছিলেন। তাঁরাও নাকি সই করেছেন ওই চিঠিতে। এর মধ্যে বিদ্রোহী শিবিরে সাংসদের সংখ্যাটা আরও বেড়েছে বলে দাবি করা হয়। তবে সংখ্যা নিয়ে চলছিল চর্চা। তার মধ্যেই মঙ্গলবার দিল্লিতে উড়ে যান দক্ষিণ কলকাতার সাংসদ মালা রায়। যে দক্ষিণ কলকাতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খাসতালুক, মমতার রাজনৈতিক লড়াইয়ের অন্যতম পীঠস্থান সেখানে নিজের বিশ্বস্ত মালাকে টিকিট দিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী। এমনকী কদিন আগে বিদ্রোহ রুখতে যে নতুন কমিটি মমতা গড়েছিলেন সেখানেও মালা রায়কে মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রী করা হয়েছিল। সেই মালা রায়ই এবার বিদ্রোহী শিবিরে!
শুধু তিনিই নয়, ছিল আরও চমক। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যাকে সেনাপতির মতো সম্মান দিয়েছিলেন। যাকে ক’দিন আগেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যুব সভানেত্রীর পদে বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেন, সেই সায়নী ঘোষও এবার বিদ্রোহী শিবিরে! অন্তত বুধবার বিজেপি নেতাদের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের পর সেই জল্পনা আরও বেড়েছে। তবে এই বিষয়ে মালা রায় কিংবা সায়নী ঘোষ কেউ কোনও মন্তব্য করেননি। অন্যদিকে প্রতিমা মণ্ডলকে ঘিরেও জল্পনা তৈরি হয়। যদিও সেই জল্পনা নিজেই খারিজ করে দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। একাধিক সংবাদমাধ্যমকে প্রতিমা মণ্ডল জানিয়েছেন, ”শতাব্দী কেন, এর মধ্যে আমি কারও বাড়িতেই যাইনি। কোনও বৈঠকেই যোগ দিইনি।” তাঁর কথায়, গত ৪ তারিখে এস্টিমেট কমিটির বৈঠক ছিল। ৩ তারিখ রাতে দিল্লিতে পৌঁছই। ৪ তারিখেই বিকেল ৪টা ১০-এর বিমানে কলকাতায় চলে আসি। এরপর আর দিল্লি যাইনি। অর্থাৎ তিনি যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই আছেন তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
রাত বাড়লেই বাড়ছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা; কেন হয়, দমন করা যায় কীভাবে?
-
সাঁড়াশি চাপে অভিষেক! সই জাল কাণ্ডের পর ডিজে মন্তব্যের মামলাও গেল সিআইডির হাতে
-
উত্তরের সঙ্গে জুড়বে দক্ষিণবঙ্গ, দার্জিলিং-গঙ্গাসাগর হাইওয়ের ঘোষণা পূর্তমন্ত্রীর
-
কর্নাটকে রাজ্যসভায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী খাড়গে-সহ কংগ্রেসের ৩, জিতলেন এক বিজেপি প্রার্থী
-
এবার বেসরকারি হাসপাতালেও ফ্রি বেড! স্বাস্থ্য পরিষেবা ঢেলে সাজাতে বড় ঘোষণা শারদ্বতের



