৫ আশ্বিন  ১৪২৬  সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জঙ্গিদমন অভিযানে ফের বড়সড় সাফল্য পেল ভারতীয় সেনা। প্রচণ্ড সংঘর্ষের পর জম্মু-কাশ্মীরে নিকেশ হয়েছে জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তইবার শীর্ষ কমান্ডার আসিফ। ঘটনাস্থল থেকে বহু হাতিয়ার ও নথি উদ্ধার হয়েছে বলা জানা গিয়েছে।

[আরও পড়ুন: ‘পাকিস্তানে রোজ মরছে হিন্দুরা’, ভারতে পালিয়ে এসে জানালেন ইমরানের দলের প্রাক্তন বিধায়ক]

সেনা সূত্রে খবর, বুধবার কাশ্মীরের সোপোরে আসিফের লুকিয়ে থাকার খবর জানতে পারে সেনা। সেইমতো দ্রুত ছকে ফেলা হয় অভিযানের নকশা। ওই জঙ্গি নেতার ডেরা ঘিরে ফেলে সেনা ও পুলিশের যৌথবাহিনী। নিরাপত্তারক্ষীদের উপস্থিতির কথা জানতে পেরে গুলি চলতে শুরু করে আসিফ। যদিও শেষরক্ষা হয়নি। বেশ কিছুক্ষণ লড়াইয়ের পর সেনার গুলিতে নিকেশ হয় পাক মদতপুষ্ট ওই জঙ্গিনেতা। উপত্যকায় একাধিক নাশকতা ও খুনের নেপথ্যে ছিল আসিফ। বহুদন ধরেই এই মোস্ট ওয়ানন্টেড জঙ্গিকে পাকড়াও করার চেষ্টা চলছিল। শেষমেশ তা সফল হয়।          

উল্লেখ্য, সদ্য কাশ্মীরে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আট জন লস্কর-ই-তইবা জঙ্গিকে। সোমবার দক্ষিণ কাশ্মীরের সোপোর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের সন্ত্রাসদমন শাখা। বেশ কিছু দিন ধরে ওই এলাকায় তারা গা ঢাকা দিয়েছিল বলে অভিযোগ। কেউ যাতে তাদের ব্যাপারে মুখ না খোলে সেজন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের ভয় দেখানো এবং প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিল তারা। গ্রেপ্তার হওয়া ওই আট জঙ্গি হল, এজাজ মির, ওমর মির, তৌসিফ নজর, ইমতিয়াজ নজর, ওমর আকবর, ফয়জান লতিফ, দানিশ হাবিব এবং শওকত আহমেদ মীর। তবে এরা সকলেই কাশ্মীরের ভূমিপুত্র নয়। এদের মধ্যে কারা পাকিস্তানের বাসিন্দা তা চিহ্নিত করতে ধৃতদের জেরা করা হচ্ছে। ধর্মীয় হিংসা যাতে না ছড়ায় সেজন্য উপত্যকায় কোথাও মঙ্গলবার মহরমের তাজিয়া ও শোভাযাত্রা বের করতে দেয়নি পুলিশ। এর মধ্যেই আগাম খবরের ভিত্তিতে রুটিনমাফিক জঙ্গি দমন অভিযান চালায় পুলিশ।

[আরও পড়ুন: ট্রাফিক আইন ভাঙার শাস্তি, ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা জরিমানা ট্রাক মালিককে]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং